ধর্মতলায় সাংবাদিক নিগ্রহে ৯ জনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশের

ফাইল ফটো

শুক্রবার ধর্মতলায় বামেদের মিছিলে  অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। মোট সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছয়টি এবং এন্টালি থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এছাড়াও পুলিশের তরফ থেকেও একাধিক মামলা রুজু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় ৯ জনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

এই বিষয়েই শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বক্তব্য রাখেন কলকাতা পুলিশের অপরাধ দমন বিভাগের অ্যাডিশনাল কমিশনার কুণাল আগরওয়াল।

তিনি বলেন, গতকাল দুপুর আড়াইটে নাগাদ এসএফআই ও ককরোচ জনতা পার্টির কিছু অজ্ঞাতপরিচয় কর্মীর হামলায় সংবাদমাধ্যমের একাধিক কর্মী আহত হন। মৌলালি-সহ কলকাতার একাধিক জায়গায় সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ চালানো হয়। এর জেরে একাধিক সাংবাদিক গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদের এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার পর আহত সাংবাদিকদের ছেড়ে দেওয়া হয়।


ডোরিনা ক্রসিংয়ের কাছে আন্দোলনস্থল থেকে সাংবাদিক রাহি হালদারের মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যায় বলেও জানান তিনি। এছাড়াও ঋক পুরকায়স্থ, সুমন মহাপাত্র, শিলাদিত্য কর-সহ একাধিক সাংবাদিক গুরুতর আহত হন। তাদের পরে এনআরএস হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। সেখান থেকে তাদের তারপরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

কুণাল আগরওয়াল আরও জানান, কলকাতার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা গতকাল নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু আন্দোলনকারীদের হামলার জেরে বিনা কারণে তাঁদের আক্রমণের শিকার হতে হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্টজনেরা প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। আর সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই আজ কড়া পদক্ষেপ করেছে রাজ্য পুলিশ।