ক্যাম্পাস-হস্টেলে দাদাগিরি চালাত আইআইএম জোকার অভিযুক্ত

ফাইল চিত্র

আইআইএম জোকার মেধাবী পড়ুয়া মহাবীর টোপ্পান্নাবার ওরফে পরমানন্দ জৈনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই পড়ুয়াকে হেফাজতে নেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। পরমানন্দর দাদাগিরির একাধিক তথ্য এসেছে পুলিশের হাতে। পুলিশ জানতে পেরেছে, আইআইএম জোকার ক্যাম্পাসেই একাধিক মহিলাকে নিয়ে আসত পরমানন্দ।

আইআইএম জোকার একটি কমিটিতে ছিল বলে ক্রমে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে পরমানন্দ। মহিলাদের আকর্ষণ করতেই ভুয়ো ‘জৈন’ পদবী ব্যবহার করতে সে। পরমানন্দর এমনই অনেক কীর্তি পুলিশের সামনে এসেছে। ক্যাম্পাসের ভেতর তরুণী মনোবিদকে যৌন নিগ্রহ ও ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত পরমানন্দকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তকে জেরা করে জানা যায়, ক্যাম্পাসে হুমকি, হোস্টেলে মোচ্ছব কোনওটাতেই বাদ যেত না পরমানন্দের নাম।

আইআইএম জোকার গেটের নিরাপত্তারক্ষীরা ভয় পেত পরমানন্দকে। ওই পড়ুয়ার নির্দেশেই ক্যাম্পাসে ঢোকানোর সময় রেজিস্টার খাতায় মহিলাদের নাম লেখাত না নিরাপত্তারক্ষীরা। এভাবে সারা ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে দাদাগিরি চালাত পরমানন্দ। ওই পড়ুয়ার কুকীর্তির কথা আইআইএম জোকার নজরে আসে। পরমানন্দর বিরুদ্ধে তদন্ত চালায় আইআইএম জোকা কর্তৃপক্ষ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ মেলায় কলেজের নির্বাচনে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। যদিও এরপরেও বিন্দুমাত্র কমেনি পরমানন্দর দাপট। কলেজ ক্যাম্পাসেই প্রকাশ্যে দাদাগিরি চালাত অভিযুক্ত।