অগ্নিকাণ্ডের নিরাপত্তা নিয়ে মুখোমুখি সাক্ষাৎকারে কার্তিক মহারাজ

তারাপীঠের হোটেল এবং ধর্মতলার মির্জা গালিব স্ট্রিটে অগ্নিকাণ্ডের জেরে প্রাণ হারিয়েছিলেন অনেকে। প্রশ্নের মুখে পড়েছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তা নিয়ে বুধবার ২রা সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গে হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলিতে অগ্নিনির্বাপণ ও অন্যান্য সুরক্ষা ব্যবস্থা পর্যালোচনায় প্রশাসনিক বৈঠক হয়।

সেই পরিপ্রেক্ষিতে স্টেটসম্যানের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী বলেন হোটেল ও রেস্তোরাগুলির মালিকদের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। মানুষের জীবন বিপন্ন হতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনীয় অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা নিতে হবেই।

যেই ক্ষেত্রে মানুষের জীবনের আশঙ্কা থেকে যায় সেদিক থেকে আমাদের সরকার কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করবে না। অনুমোদন ছাড়াই অনেক হোটেল তৈরি হয়েছিল, আমরা সেগুলোকে শনাক্ত করেছি। পূর্বতন সরকারের আমলে এগুলো তৈরি হয়েছিল,গুন্ডারাজ চলেছিল তখন। প্রচুর প্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করা হয়েছে যাদের ফায়ার সেফটি প্রটোকল নেই।


তাদেরকে আমরা সময় দিয়েছি, যাতে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন। আমরা হোটেল মালিকদের বলেছি আপনাদের হোটেল বা ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু মানুষের জীবন নিয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স।

ফায়ার সেফটি প্রটোকল মানতে কোনরকম সমস্যা হলে আমাদেরকে জানান আপনারা। সহযোগিতা আপনারা পাবেনই। মোটকথা এই বৈঠকের মাধ্যমে আমরা জানিয়েছি ফায়ার সেফটি প্রটোকল না মানার জন্য বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে ব্লাকলিস্টেড করা হয়েছে। আগামী দিনেও মানতে হবে। সরকারি অনুমোদন নিয়ে নির্মাণ গড়ে তুলতে হবে। এর অন্যথা হলে কড়া ব্যবস্থা নেয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে।