রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক প্রতারণার ঘটনা সামনে আসছে। সম্প্রতি রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব সৌমিত্র মোহনের নাম করে টাকা চাওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। তাঁর ছবি ব্যবহার করে সমাজমাধ্যমে একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। সেখানে তাঁর পরিচয় ব্যবহার করে বলা হয়, তাঁর এক বন্ধু সিআরপিএফের আধিকারিক। তিনি এখান থেকে চলে যাচ্ছেন। তাই তাঁর যাবতীয় আসবাবপত্র স্বল্প দামে বিক্রি করে দিতে চান।
যা আদতে সম্পূর্ণ ভুয়ো বলে দাবি করেছেন আইএএস আধিকারিক সৌমিত্র মোহন। বিষয়টি তাঁর নজরে আসতেই লালবাজারের সাইবার শাখায় অভিযোগ জানান তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করে প্রাথমিক ভাবে প্রতারকের ঠিকানা রাজস্থানের আলওয়ারে পাওয়া গিয়েছে। এর আগেও একই ধরনের ঘটনায় রাজস্থানের আলওয়ার থেকে কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান। তাঁরাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শুধু আইএএস আধিকারিকই নন, একই ধরনের ভুয়ো প্রতারণার শিকার হয়েছেন রাজ্যের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। জানা গিয়েছে, একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থার এক এজেন্ট সরাসরি তাঁর কাছে একটি প্যাকেট নিয়ে দেখা করতে এসেছিলেন। সংস্থার কর্মীরা জানিয়েছিলেন, শমীক ভট্টাচার্যের অফিস থেকে ফোন করা হয়েছিল। সেই কারণেই তাঁরা সরাসরি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে আসেন।
ওই সংস্থার কর্মীদের ফোনের কল ডিটেলস দেখতে চেয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। সেখানে তিনি দেখতে পান, তাঁর নামে সিম তুলে ফোন করা হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ জানানো হয়। তদন্তে দেখা যায়, জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ি থেকে ফোন করা হচ্ছিল। যদিও পরবর্তীতে সালকিয়া থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।