জমি দখল মামলায় এবারে নাম জড়ালো দেবাশিস কুমারের

PIC- SNS

৪ মে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। এমনকি একাধিক নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্তও শুরু করা হয়েছে। তার মধ্যে এবারে তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারের বিরুদ্ধে উঠেছে জমি দখলের অভিযোগ।

পঞ্জাবের এক মহিলা সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন দক্ষিণ কলকাতায় থাকা তার পরিবারের কিছু সম্পত্তি বেআইনি ভাবে দখল করা হয়েছে। ওই মহিলা তাঁর অভিযোগ পত্রে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন। তার মধ্যে অন্যতম নাম হচ্ছে রাসবিহারীর বিধায়ক  তথা প্রাক্তন মেয়র কাউন্সিল দেবাশিস কুমার।

২১/জিএম  মনোহরপুকুর রোড এলাকার বাসিন্দা কিরণ গুপ্ত জানিয়েছেন তার সম্পত্তি বিগত কয়েক বছর ধরে বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন বেআইনি ভাবে দখল করা ওই জমিতে বহুতল তৈরি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানিয়েছেন পরিবারের সঙ্গে তিনি বর্তমানে পাঞ্জাবে থাকলেও পরিবারের বেশ কিছু সদস্য এখনও কলকাতায় থাকেন। তাদের জোর করে ওই জায়গা থেকে বের করে দিয়ে তারপরে তা দখল করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


জনতার দরবারে এসে বাধ্য হয়ে তিনি এই অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও গত ২৫ মে ভবানীপুরের ৮১ বছরের এক বৃদ্ধা জানিয়েছেন ব্যবসায়ী জয় কামাদার বেআইনিভাবে তার জমি দখল করে রেখেছেন। একাধিকবার তা উদ্ধারের চেষ্টা করলেও তিনি ব্যর্থ হন। তাই বাধ্য হয়ে তিনি অভিযোগ দায়ের করেন।

জয় কামাদারের বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ উঠেছিল একাধিক। পুলিশের বদলি, পদোন্নতি ও তদন্তের গতিপ্রকৃতি বদলে দিতে পারেন তিনি, এমনই ভাবমূর্তি তৈরি করেছিল রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ধৃত জয় কামদার। তার বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখলের মামলা রয়েছে। কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার অফিসার শান্তনু সিনহা বিশ্বাস শুধু নয়, পুলিশ, আমলা ও রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল জয়ের। দুর্নীতির মাধ্যমে ৪৭.৮৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। জমি দখলের মামলায় জমা দেওয়া চার্জশিটে এমনটাই দাবি করেছে ইডি।