সদ্য প্রয়াত অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর প্রশ্ন করলেন এনসিপি বিধায়ক অমল মিতকারি। তাঁর প্রশ্ন, ‘বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর আত্মঘাতী বোমারু নয় তো? এটা কি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে বড় মাপের ষড়যন্ত্র রয়েছে? প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মতো অজিত পাওয়ারকেও খুন করা হয়নি তো?’ ২৮ জানুয়ারি সকালে বারামতীর যাওয়ার পথে ভেঙে পড়ে অজিতের বিমান। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় অজিত-সহ বিমানের পাঁচ যাত্রীর। যার মধ্যে ছিলেন ফাস্ট অফিসার সহকারী ক্যাপ্টেন শম্ভবী পাঠক এবং অজিতের দেহরক্ষী পিঙ্কি মালি।
বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর ঘটনায় প্রথম থেকেই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর ভাইপো রোহিত পাওয়ার। বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা করে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার। বারামতীর বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে সব মহলেই ব্যাপক আলোচনা চলছে। এরই মাঝে মহারাষ্ট্রের আকোলা জেলায় এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করলেন এনসিপি বিধায়ক অমল মিতকারি।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মিতকারি জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, এটা কি নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে বিরাট ষড়যন্ত্র রয়েছে? বিধায়ক বলেন, ‘১৯৯১ সালে রাজীব হত্যার নেপথ্যে ছিল এলটিটিই। যেভাবে এলটিটিই রাজীব গান্ধীকে খুন করেছিল, ঠিক সেভাবেই কি অজিতকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে? ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর নামে যে পাইলট বিমান ওড়াচ্ছিলেন তিনিই কী সুইসাইড বোম্বার?’
বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে সুর আরও চড়িয়েছেন এনসিপি বিধায়ক। মিতকারির বলেন, ২৮ জানুয়ারি বিমান দুর্ঘটনায় পাইলট সুমিত মারা গিয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ সুমিতের স্ত্রী বলেছেন তাঁর স্বামী জীবিত আছেন। তাহলে সেদিন দুর্ঘটনায় কার মৃত্যু হয়েছে? অজিতের মৃত্যু নিয়ে এত প্রশ্ন, অথচ অদ্ভুতভাবে সবাই নীরব। এনসিপি বিধায়কের দাবি, প্রথাগত তদন্তে কোনও কিছুই সামনে আসবে না। সরকার কেন দুর্ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করছে না? ওই দিন বিমানটি ওড়ানোর কথা ছিল ক্যাপ্টেন সাহিলের। শেষ মুহূর্তে ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে যাওয়ায় তিনি পৌঁছতে পারেননি। তাহলে তিনি এখন কোথায়?