এবার গুজরাতে বিএলও-র মৃত্যু, অতিরিক্ত কাজের চাপে মৃত্যু দাবি পরিবারের

প্রতীকী চিত্র

এবার প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রাজ্যে প্রাণ গেল এল বিএলও-র।মৃতের নাম রমেশভাই পরমার। বয়স ৫০ বছর। তিনি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। খেদা জেলার কাপডভঞ্জ তালুকের জাম্বুদি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন রমেশভাই। বাংলা, কেরল এবং রাজস্থানের পর এবার গুজরাতে মারা গেলেন এক বুথ লেভেল অফিসার অর্থাৎ বিএলও।

বুধবার রাতে ঘুমের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন তাঁর ভাই নরেন্দ্র পরমার। বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে না ওঠায় তাঁকে একাধিকবার ডাকাডাকি করেন পরিবারের সদস্যরা। তিনি কোনও রকম সাড়া দেননি। ঘুম থেকে না ওঠায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পরেশভাই পরমার নবপুর গ্রামের একটি সরকারি স্কুলে কর্মরত ছিলেন। বিএলও হিসেবে তাঁর উপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া হচ্ছিল। আর সেই কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। ভাই নরেন্দ্র পরমার দাবি করেছেন, ‘গ্রামে নেটওয়ার্কের সমস্যা ছিল। সেই জন্য তিনি আমার বাড়িতে এসেছিলেন। এখানে তিনি রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কাজ করেন। কাজ শেষে নিজের বাড়ি চলে যান। রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন দাদা। সকালে ডাকাডাকি করলেও ওঠেননি। আমাদের মনে হয়, অতিরিক্ত কাজের চাপেই দাদা হৃদরোগে আক্রান্ত হন।’  একই দাবি করেছেন বিএলও রমেশভাই পরমারের মেয়ে শিল্পাও। কাজের জন্য বাবা চাপে ছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।