আত্মসমর্পণ করলেন তরুণ তেজপাল (Tarun Tejpal)। সোমবার গোয়ার মাপুসা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ‘তেহেলকা’-র প্রাক্তন এডিটর ইন চিফ (Tarun Tejpal)। ২০১৩ সালের ধর্ষণ মামলায় সুপ্রিম নির্দেশ মেনেই তাঁর এই আত্মসমর্পণ। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, আত্মসমর্পণ না করলে তাঁর ফৌজদারি আপিলের শুনানি করা হবে না।
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর তেজপালের (Tarun Tejpal) করা ফৌজদারি আপিলের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। তবে তার আগে ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের শংসাপত্র জমা দিতে হবে। বম্বে হাইকোর্টের তরফে আগের রায় খারিজ করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেছেন তেজপাল।
আরও পড়ুন: নিরাপদ দূরত্ব রাখতে বলায় বাইকে সোজা ধাক্কা, গুরুগ্রামের এক মহিলা বাইক আরোহীর ভিডিও ভাইরাল
আত্মসমর্পণ থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন তেজপাল
বম্বে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার পাশাপাশি আত্মসমর্পণের শর্ত থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন তেজপাল (Tarun Tejpal)। তাঁর আইনজীবী কপিল সিব্বল যুক্তি দিয়েছিলেন, উপযুক্ত ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট আত্মসমর্পণের শর্ত প্রত্যাহার করতে পারে। তাই তেজপালকে আগে আত্মসমর্পণ না করিয়েই তাঁর ফৌজদারি আপিলের শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি।
অন্যদিকে, গোয়া সরকারের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এই আবেদনের বিরোধিতা করেন। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট আত্মসমর্পণ থেকে তেজপালকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন খারিজ করে দেয়।
খালাসের রায় খারিজ করে বম্বে হাইকোর্ট
গত ৬ আগস্ট বম্বে হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ তেজপালের আগের রায় খারিজ করে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। বিচারপতি নীলা গোখলে এবং বিচারপতি অমিত জামসানদেকরের ডিভিশন বেঞ্চ তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দেয়।
২০১৩ সালের নভেম্বরের মাসের ঘটনা। গোয়ার একটি হোটেলের লিফটে এক জুনিয়র সহকর্মীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছিল তেজপালের বিরুদ্ধে। ওই বছরের ৩০ নভেম্বর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরবর্তীতে ২০২১ সালে গোয়ার দায়রা আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস করে। সেই রায়ের বিরুদ্ধে গোয়া সরকার বম্বে হাইকোর্টে আবেদন করে। চলতি বছরের আগস্টে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে তেজপালকে দোষী সাব্যস্ত করে।
এরপর দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তেজপাল। সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত শর্ত পূরণ হল। ফলে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর তাঁর ফৌজদারি আপিলের শুনানির পথ এখন পরিষ্কার।
দেখুন: <iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/DGL0q_6UYpg?si=pa8F5Bw14GO9HERl” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>