ফের গ্রেপ্তার হলেন আপনেতা (AAP) সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendar Jain)। এবার দিল্লির জল বোর্ডের দরপত্রে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন দিল্লির প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendar Jain)। মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন শাখা তাঁকে (Satyendar Jain) গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষ টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
সত্যেন্দ্র জৈনের (Satyendar Jain)পাশাপাশি জল বোর্ডের প্রাক্তন সিইও উদিত প্রকাশ রাই, প্রাক্তন পরামর্শদাতা অজিত শ্রীবাস্তব, এএ এন্টারপ্রাইজেস-এর মালিক নাগেন্দ্র যাদব, ইউরোটেস এনভায়নরমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেজের মালিক রাজা কুমার কুররা এবং শ্রীজনহারের মালিক পঙ্কজ বর্মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, জল বোর্ডের একটি দরপত্রে আর্থিক অনিয়ম করা হয়েছিল। সত্যেন্দ্র জৈনের (Satyendar Jain) বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়া, বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২০২৪ সালে ১১ মে দুর্নীতির অভিযোগ একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল।
সত্যেন্দ্র জৈনের (Satyendar Jain) গ্রেপ্তারির পরেই বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপনেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) । তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশে সত্যেন্দ্র জৈনকে (Satyendar Jain) নিশানা করা হচ্ছে। কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দাবি, আগের মামলার মতোই এ বারও মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে আপ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কেজরিওয়ার (Arvind Kejriwal) আরও বলেন, মিথ্যা মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করে দীর্ঘদিন কারাবন্দি রাখা এবং মানসিকভাবে হেনস্থার দায় শেষ পর্যন্ত কে নেবে, সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সরকার সমস্ত সীমা অতিক্রম করছে এবং এই ধরনের পদক্ষেপের জন্য রাজনৈতিক মূল্যও তাদের দিতে হবে। তাঁর দাবি, আগামী দিনে বিজেপিকে ক্ষমতা হারাতে হবে।
অন্যদিকে, দিল্লি বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব দাবি করেন, আপ দিল্লিকে লুট করেছে। এবার তাদের ‘আসল চেহারা’ সামনে এসেছে। তিনি বলেন, “দিল্লি জল বোর্ডের এসটিপি টেন্ডার দুর্নীতি ও অনিয়মের মামলায় দুর্নীতি দমন শাখা সত্যেন্দ্র জৈনকে গ্রেপ্তার করেছে। টেন্ডারে কারচুপি এবং কোটি কোটি টাকার ঘুষ-এটাই ছিলে আপের ‘সৎ’ মডেল।”
আরও পড়ুন: বঙ্গের মনসা দেবী এবং গ্রিক দেবী মেডুসা কি একই? এই দুই দেবীর সংগ্রামের বিষয়ে জানেন?
২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দিল্লি সরকারের একাধিক দপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন আপনেতা সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendar Jain)। ২০২২ সালের মে মাসে অর্থপাচারের একটি মামলায় তাঁকে (Satyendar Jain) গ্রেপ্তার করেছিল ইডি (ED)। ২০২৩ সালের মে মাসে শারীরিক অসুস্থতার কারণে অন্তর্বর্তী জামিন পান তিনি। এরপর প্রায় ছয় মাস জেলে থাকেন তিনি (Satyendar Jain)। এরপর ২০২৪ সালের অক্টোবরে জামিন পেয়ে জেল থেকে বের হন (Satyendar Jain)।
দেখুন:<iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/MWCRI_LCbqY?si=0w5rezAiSygoeztX” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>