পুরনো ট্রেনের জিনিস দিয়েই নতুন শৌচাগার, ঝাঁসির ৪ স্টেশনে রেলের নয়া উদ্যোগ

pic- sns

পুরনো ট্রেনের কোচে পড়ে থাকা ব্যবহারযোগ্য জিনিস দিয়েই তৈরি হল নতুন শৌচাগার। ঝাঁসির কোচ মেরামতির কর্মশালার কর্মীরা নিজেদের উদ্যোগে এই কাজ করেছেন। ললিতপুর জেলার মাতাটিলা, জিরোন ও জাখোরা এবং দাতিয়া জেলার বাসাই স্টেশনে এই শৌচাগার বসানো হয়েছে। চারটি স্টেশনই এনএসজি-৬ শ্রেণির।

ট্রেনের বড় মেরামতির সময় কোচ থেকে বেশ কিছু জিনিস খুলে নেওয়া হয়। তার মধ্যে ফাইবারের তৈরি শৌচাগারের অংশ, বায়ো-ট্যাঙ্ক, জলের ট্যাঙ্ক-সহ কিছু জিনিস ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় ছিল। সেগুলি ফেলে না দিয়ে পরীক্ষা করে পরিষ্কার করা হয়। যেখানে প্রয়োজন, মেরামতি করা হয়। তার পর সেই পুরনো জিনিস দিয়েই তৈরি করা হয়েছে নতুন শৌচাগার।

পুরো কাজটাই করেছেন ঝাঁসির ওই কর্মশালার কর্মীরা। পুরনো যন্ত্রাংশ পরীক্ষা, মেরামতি, শৌচাগারের কাঠামো তৈরি, সব অংশ জোড়া লাগানো থেকে শুরু করে জলের সংযোগ এবং নিকাশির ব্যবস্থা—সবই করা হয়েছে কর্মশালার নিজস্ব পরিকাঠামোয়। ফলে নতুন করে অনেক সামগ্রী কেনার প্রয়োজন হয়নি। কম খরচেই তৈরি হয়েছে শৌচাগারগুলি।


এই চারটি স্টেশনে মূলত আশপাশের এলাকার মানুষ যাতায়াত করেন। তাই স্টেশনে পরিষ্কার ও সহজে ব্যবহার করা যায় এমন শৌচাগার থাকা জরুরি। বিশেষ করে মহিলা, শিশু, বয়স্ক এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম যাত্রীদের জন্য এই সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ।

রেলের পুরনো জিনিসকে নতুন করে কাজে লাগানোর এই উদ্যোগে এক দিকে যেমন খরচ কমেছে, অন্যদিকে নষ্ট হয়ে যাওয়া সামগ্রীর ব্যবহারও হয়েছে। ট্রেনের কোচে ব্যবহৃত জিনিস এবার স্টেশনের যাত্রী পরিষেবায় কাজে লাগল।

অর্থাৎ, ফেলে দেওয়ার বদলে পুরনো জিনিস মেরামত করে ফের ব্যবহার— এই ভাবনাতেই তৈরি হয়েছে চারটি শৌচাগার। ছোট স্টেশনে কম খরচে প্রয়োজনীয় পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ রেলের নিজস্ব কর্মীদের দক্ষতারও পরিচয় দিচ্ছে।