ককরোচ জনতা পার্টির পাশে দাঁড়ালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। যন্তর মন্তর প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সেই নিষেধ অমান্য করে যন্তর মন্তরে ভিতরে ঢুকে দেশের জাতীয় পতাকা ওড়ান সিজেপির (CJP) দুই শীর্ষ নেতা। তার জেরে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার পাঁচ দিনের হেফাজত হয়েছে। এবার তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। রাহুলের (Rahul Gandhi) বক্তব্য, যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সময় জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনও অপরাধ হতে পারে না।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা এবং এসআইআর নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত রাজধানী দিল্লি। দফায় দফায় সিজেপি (CJP)-র পাশাপাশি কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়া মঞ্চও বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেওয়ার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছে তারা।
আরও পড়ুন: যন্তর মন্তরে ঢুকে গ্রেপ্তার, সিজেপির দুই নেতার পাঁচ দিনের জেল হেফাজত, ছাড়া পেলেন অজিঙ্ক
গত শনিবার সিজেপির যন্তর মন্তর ২.০ কর্মসূচিত যোগ দিয়ে আটক হয়েছিলেন বিরোধী শিবিরে একাধিক নেতৃ-নেত্রী। ওই কর্মসূচিতে রাহুল বা কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বদের দেখা যায়নি। সিজেপি (CJP)-র আন্দোলন থেকে কংগ্রেস দূরত্ব বজায় রাখতে চাইছে কি না, তা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। বুধবার সমাজমাধ্যমে রাহুলের (Rahul Gandhi) পোস্টে সেই জল্পনার অবসান ঘটল।
<iframe src=”https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Frahulgandhi%2Fposts%2Fpfbid037crKTe8XodkyUSnkKeSzzwa9oQULLMi8TkqczD3M5Zdkhuyic6AkjEVRj6RBxw5Zl&show_text=true&width=500″ width=”500″ height=”239″ style=”border:none;overflow:hidden” scrolling=”no” frameborder=”0″ allowfullscreen=”true” allow=”autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share”></iframe>
কংগ্রেস নেতার বক্তব্য পড়ুয়া, তরুণ প্রজন্ম, সাংবাদিক এবং ইন্ডিয়া’ আলাদা আলাদা ব্যানের আন্দোলন করলেও তাঁদের লক্ষ্য এক। নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকারি রক্ষার দাবিতেই তাঁরা পথে নেমেছেন বলে দাবি রাহুলের।
মঙ্গলবার নিজের বাসভবনে ‘ইন্ডিয়া’-র নেতানেত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাহুল। সেখানে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ও রণকৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। যন্তর মন্তর ছেড়ে যাওয়ারও কোনও প্রশ্ন নেই বলে জানান তাঁরা।
বুধবারের পোস্টে রাহুল (Rahul Gandhi) নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বলে অনেকের মত। তাঁর বার্তা, ‘যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের। আমরা সেটা পুনরুদ্বার করবই।‘ সিজেপির দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করে জেল হেফাজতে পাঠানোর সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেছেন তিনি। রাহুলের কথায়, ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অংশ হিসেবে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনও অপরাধ নয়। তার জন্য যুবকদের জেলে পাঠানো কাপুরুষোচিত কাজ।‘
আরও পড়ুন: বিহারে নৌকাডুবি, বৈশালীতে মৃত্যু ১৩ শিশুর, উদ্ধার ৭
সোমবার যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি কমিটির সুপারিশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এর পরিবর্তে বিক্ষোভের জন্য তিনটি জায়গা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। সেগুলি হল রামলীলা ময়দান, বুরাড়ি মাঠ এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি।
মঙ্গলবার এই নির্দেশ অমান্য করে সকালে যন্তর মন্তরের গেট টপকে ভিতরে ঢুকে জাতীয় পতাকা ওড়ান সিজেপির সৌরভ, আশুতোষ এবং অজিঙ্ক শিন্ডে। এর পরেই পুলিশ তাঁদের আটক করে। রাতে খবর মেলে মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দু’টি এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ।
বুধবার ভোরে সিজেপি আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং জানান, সৌরভ আশুতোষ ও অভিঙ্ক গ্রেপ্তার করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আজ সকাল ৮টা নাগাদ তিন নেতাকে মন্দির মার্গ থানায় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হয়।
তাঁদের বিরুদধে অনধিকার প্রবেশ এবং সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েচে। সৌরভ এবং আশুতোষের বিরুদদে বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছে পুলিশ। দুই পক্ষের আইনজীবীদের সওয়াল জবাবের পর ম্যাজিস্ট্রেট সৌরভ ও আশুতোষকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অন্যদিকে শান্তিভঙ্গ না করার শর্তে বন্ডে সই করায় ছাড়া পান অজিঙ্ক শিন্ডে।
দেখুন:<iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/N6g_XzAG6tA?si=pZUbylNzxJpKpqaP” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>