১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে ( BRICS Summit) যোগ দিতে শুক্রবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (President Vladimir Putin)। শুক্রবার ভোর ৪টে নাগাদ দিল্লির পালাম বায়ুসেনা ঘাঁটিতে অবতরণ করে পুতিনের (President Vladimir Putin) বিমান। তাঁর এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ফের মুখোমুখি বৈঠক হতে চলেছে। গত মাসে বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতার বৈঠক হয়েছলি।
শুক্রবার মোদী(Narendra Modi) -পুতিন (President Vladimir Putin) দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ভারত-রাশিয়ার কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, বাণিজ্য, জ্বালানি এবং দুই দেশের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
নয়াদিল্লিতে পৌঁছনোর পর বিমানবন্দরে পুতিনকে (President Vladimir Putin) স্বাগত জানান বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও রুশ প্রেসিডেন্টকে (President Vladimir Putin) স্বাগত জানিয়ে ভার-রাশিয়া সম্পর্ককে ‘বহুমুখী এবং দীর্ঘস্থায়ী’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, দুই দেশের সম্পর্ক ‘বিশেষ ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
<blockquote class=”twitter-tweet”><p lang=”en” dir=”ltr”>Warmly welcome President Vladimir Putin of Russia for the 18th BRICS Summit. He was received by MoS <a href=”https://x.com/KVSinghMPGonda?ref_src=twsrc%5Etfw”>@KVSinghMPGonda</a> at the airport.<br><br>India and Russia share multifaceted and longstanding ties anchored in Special and Privileged Strategic Partnership.<a href=”https://x.com/hashtag/BRICS2026?src=hash&ref_src=twsrc%5Etfw”>#BRICS2026</a> <a href=”https://x.com/hashtag/BRICSIndia2026?src=hash&ref_src=twsrc%5Etfw”>#BRICSIndia2026</a>… <a href=”https://t.co/pwxcO2aHLt”>pic.twitter.com/pwxcO2aHLt</a></p>— Randhir Jaiswal (@MEAIndia) <a href=”https://x.com/MEAIndia/status/2098181252503466333?ref_src=twsrc%5Etfw”>September 10, 2026</a></blockquote> <script async src=”https://platform.x.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>
বিশকেক বৈঠকের পর ফের মুখোমুখি মোদী-পুতিন
গত ৩১ আগস্ট বিশকেকে মোদী (Narendra Modi) ও পুতিনের (President Vladimir Putin) বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছিল। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার পক্ষে সরাসকি বার্তা দেন। তিনি বলেছিলেন, ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ থেকে ‘যুদ্ধের অবসানের’ দিকে এগিয়ে যেতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব এই যুদ্ধের অবসান হোক-এটাই মানবতার প্রত্যাশা।
বিশকেকের বৈঠকে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ও পর্যালোচনা করেছিলেন দুই নেতা। পুতিনের (President Vladimir Putin) ভারত সফরের আগে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছিলেন, ইউক্রেন পরিস্থিতি সম্পর্কে মোদীকে বিস্তারিত জানাবেন রুশ প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা।
আরও পড়ুন: বন্যপ্রাণী পাচার রুখতে কড়া DRI, ১০ দিনে ৬টি বড় অভিযান
প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও জ্বালানি আলোচনায়
মোদী (Narendra Modi) -পুতিন (President Vladimir Putin) বৈঠকে ( BRICS Summit) প্রতিরক্ষ সহযোগিতা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে। দুই দেশের এবং ভবিষ্যতের প্রতিরক্ষা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সীমান্তপার লেনদেনের ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ( BRICS Summit) মূল পর্ব শুরু হওয়ার আগে দিল্লিতে পুতিনের একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। শুক্রবার ব্রিকস ( BRICS Summit) বিজনেস ফোরামের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার কথা তাঁর। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে তিনি ইন্নোপ্রম প্রদর্শনীতেও যাবেন। ভারত ও রাশিয়ার শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রকের যৌথ উদ্যোগে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ফের অনশনের পথে ওয়াংচুক? লাদাখ ইস্যুতে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে বড়সড় আন্দোলনের ডাক
১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন
২০২৬ সালে ব্রিকসের ( BRICS Summit) সভাপতিত্ব করছে ভারত। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন ( BRICS Summit) । ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের পাশাপাশি অংশ নেবেন অংশীদার দেশ এবং আমন্ত্রিত দেশগুলির প্রতিনিধিরাও।রাষ্ট্রপ্রধানদের পাশাপাশি অংশ নেবেন অংশীদার দেশ এবং আমন্ত্রিত দেশগুলির প্রতিনিধিরাও
বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছেন, ব্রিকসের অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। সম্মেলনে আলোচনায় থাকতে পারে বাণিজ্য, অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, সরবরাহ ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।