প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র-যুবদের টানা বিক্ষোভের আবহেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার এনডিএ-র সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে ‘মহাপাপ’ বলে উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছিলেন, এ ধরনের অপরাধ রোধ করা গোটা দেশের দায়িত্ব। সেই বৈঠকে মোদীর বক্তব্যের কথা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে মুখ না খোলায় বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল কেন্দ্রকে।
<iframe src=”https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fnarendramodi%2Fposts%2Fpfbid02f3jvHALo4xY4bnEwpmQV8hgrBCxBEZSoBQWbdpYPxFr48CxH5giyN8f9KSfYb1pbl&show_text=true&width=500″ width=”500″ height=”277″ style=”border:none;overflow:hidden” scrolling=”no” frameborder=”0″ allowfullscreen=”true” allow=”autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share”></iframe>
বৃহস্পতিবার সকালে সমাজমাধ্যমে করা এক বার্তায় দেশের তরুণদের উদ্দেশে আশ্বাস দেন মোদী। তিনি, ‘তরুণ প্রজন্মের কল্যাণ এবং তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু হতে পারে না।‘
এর পরেই প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপের বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন করা হবে। পাশাপাশি, দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।