পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার উৎসবের মেজাজে মেতেছে দেশ। মুসলিম সম্প্রদায়ের এই ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন প্রান্তে সকাল থেকেই শুভেচ্ছা বিনিময়ের ছবি ধরা পড়েছে। এই বিশেষ দিনে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী এমনকি বিরোধী নেতারাও।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর বার্তায় ঈদ-উল-আজহার মূল শিক্ষা হিসেবে ত্যাগ, নিষ্ঠা এবং মানুষের কল্যাণের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, এই উৎসব মানুষকে শুধু ধর্মীয় মূল্যবোধেই নয়, সমাজের দুর্বল ও পিছিয়ে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দিকেও অনুপ্রাণিত করে। সমাজে ভালোবাসা ও সম্প্রীতির পরিবেশ আরও দৃঢ় হোক বলেও আশা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ইদের শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশবাসীর সুখ, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। তাঁর মতে, এই উৎসব মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ককে আরও মজবুত করে।
রাজনীতির জগতের অন্যান্য নেতারাও ইদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী উৎসবের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার কথা বলেছেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা শান্তি, ঐক্য ও ভালোবাসার বার্তা দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব ইদ-উল-আজহা মূলত আত্মত্যাগ ও বিশ্বাসের প্রতীক। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, আল্লাহর প্রতি অগাধ আস্থা ও আনুগত্যের নিদর্শন হিসেবেই নবী ইব্রাহিমের ত্যাগকে স্মরণ করা হয় এই দিনে। সেই ঐতিহ্য মেনেই ধর্মীয় রীতি পালন করেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন ও দরিদ্র মানুষের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে দিয়ে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সমাজের সর্বস্তরে।
পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার উৎসবের মেজাজে মেতেছে দেশ। মুসলিম সম্প্রদায়ের এই ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন প্রান্তে সকাল থেকেই শুভেচ্ছা বিনিময়ের ছবি ধরা পড়েছে। এই বিশেষ দিনে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী এমনকি বিরোধী নেতারাও।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর বার্তায় ঈদ-উল-আজহার মূল শিক্ষা হিসেবে ত্যাগ, নিষ্ঠা এবং মানুষের কল্যাণের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, এই উৎসব মানুষকে শুধু ধর্মীয় মূল্যবোধেই নয়, সমাজের দুর্বল ও পিছিয়ে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দিকেও অনুপ্রাণিত করে। সমাজে ভালোবাসা ও সম্প্রীতির পরিবেশ আরও দৃঢ় হোক বলেও আশা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ইদের শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশবাসীর সুখ, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। তাঁর মতে, এই উৎসব মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ককে আরও মজবুত করে। রাজনীতির জগতের অন্যান্য নেতারাও ইদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী উৎসবের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার কথা বলেছেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা শান্তি, ঐক্য ও ভালোবাসার বার্তা দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব ইদ-উল-আজহা মূলত আত্মত্যাগ ও বিশ্বাসের প্রতীক। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, আল্লাহর প্রতি অগাধ আস্থা ও আনুগত্যের নিদর্শন হিসেবেই নবী ইব্রাহিমের ত্যাগকে স্মরণ করা হয় এই দিনে। সেই ঐতিহ্য মেনেই ধর্মীয় রীতি পালন করেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন ও দরিদ্র মানুষের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে দিয়ে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সমাজের সর্বস্তরে।