ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। যন্তর মন্তরের আন্দোলনও থেমে গেছে। এখন সিজেপির পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে আগামী বুধবার মহারাষ্ট্রের সম্ভাজিনগরে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-র বাড়িতে বৈঠক হবে।
দেশের বিভিন্ন অংশে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে কিছু পরীক্ষা রাজ্যস্তরে অনুষ্ঠিত হয়, যার সাথে কেন্দ্র সরকারের সরাসরি সম্পর্ক নেই। বিজেপি শাসিত নয় এমন রাজ্যগুলিতেও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ রয়েছে। পঞ্জাবও এর মধ্যে অন্যতম। সিজেপি শুধুমাত্র নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধেই কেন সরব, তা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে প্রশ্ন উঠেছে।
পঞ্জাব প্রসঙ্গে সিজেপির নীরবতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে অভিজিৎ দীপকে-কেও। তিনি জানিয়েছেন, পঞ্জাবের বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে এবং তারা সরব হবেন বলে জানিয়েছেন।
যন্তর মন্তরে আন্দোলন প্রত্যাহারের পরে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা বলেছিলেন, “আমরা শীঘ্রই আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব। আমাদের একটু সময় দিন।”
সিজেপির ডাকে দিল্লিতে ছাত্র-যুবরা টানা ৩৬ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়েছে। সূত্রের খবর, দীর্ঘ আন্দোলনের পরে সিজেপির কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের কিছু দিন বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আগামী বুধবারের বৈঠকের পরেই একটি সাংবাদিক বৈঠক করতে পারে সিজেপি। ওই সাংবাদিক বৈঠক থেকেই সংগঠনের পরবর্তী কর্মসূচির রূপরেখা ঘোষণা করা হতে পারে।
দিল্লিতে ছাত্র-যুবদের লাগাতার আন্দোলনের চাপে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়তে হয়েছে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। আন্দোলনকারী ছাত্র-যুবদের মূল দাবি ছিল এটিই। তবে দেশের তরুণদের এমন স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিক্ষোভে শামিল হওয়ার নেপথ্যে প্রশ্নফাঁসই একমাত্র কারণ নয়। অনেকের মতে, এর নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘ দিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভ। যত সংখ্যক পড়ুয়া বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর ডিগ্রি নিয়ে বেরোচ্ছেন, সেই সংখ্যায় কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে না বলে অভিযোগ। তার সঙ্গে অনুঘটকের মতো জুড়েছে ক্রমবর্ধমান জ্বালানির দাম এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি। এই পরিস্থিতিতে সিজেপি তাদের পরবর্তী কর্মসূচি কী ঘোষণা করে, তা নিয়ে কৌতূহলও বৃদ্ধি পেয়েছে।