তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করতে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার অভিযান শুরু করল ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ)। এই উপলক্ষে মাদুরান্তকমে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজ্যে নির্বাচনী আবহ গভীর হওয়ার মধ্যেই এই কর্মসূচিকে এনডিএ-র প্রথম বড়সড় রাজনৈতিক সমাবেশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই জনসভা তামিলনাড়ুতে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজগম (ডিএমকে)-র বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের সরাসরি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিজেপির তামিলনাড়ু রাজ্য সভাপতি ও বিধানসভা দলের নেতা নৈনার নাগেন্দ্রন এই কর্মসূচির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। চেন্নাই–তিন্দিভানম জাতীয় সড়ক সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এই সভায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক দলীয় কর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতি প্রত্যাশিত।
এনডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সভার মাধ্যমে রাজ্যে জোটের নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে এনডিএ-র শরিক দলগুলির শীর্ষ নেতৃত্বের—এর মধ্যে রয়েছে AIADMK, BJP, তামিল মানিলা কংগ্রেস, পাট্টালি মাক্কাল কাচ্চি এবং অম্মা মাক্কাল মুন্নেত্র কাজগম।
সংবাদমাধ্যমকে নৈনার নাগেন্দ্রন জানান, ‘২৩ জানুয়ারি মাদুরান্তকমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এনডিএ-র নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন। এই সভা থেকে জনবিরোধী ডিএমকে সরকারকে বিদায় জানানোর ডাক দেওয়া হবে।’
এদিকে, তামিলনাড়ুতে এনডিএ-র চূড়ান্ত শরিক দলগুলির তালিকা নিয়ে এখনও জল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে টি টি ভি দিনাকরণ, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও পন্নীরসেলভম এবং ডিএমডিকে-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ না করলেও নাগেন্দ্রন ইঙ্গিত দেন, প্রধানমন্ত্রীর সভার মঞ্চেই সবকিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে।
ডিএমকে ও AIADMK-র মধ্যে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প অনুকরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি AIADMK-র অবস্থানকে সমর্থন করে বলেন, ‘একই ধরনের প্রকল্প থাকলেই তাকে নকল বলা যায় না। মানুষের মননে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।’