সংগঠনের অভিযোগ, অনলাইন ই-ফার্মেসিগুলি অত্যধিক ছাড় দিয়ে বাজারে অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা তৈরি করছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ভুয়ো প্রেসক্রিপশন ব্যবহার করে নির্বিচারে অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ বিক্রি হচ্ছে। তাদের দাবি, এর ফলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা ওষুধ প্রতিরোধী সংক্রমণের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে।
এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে, বহু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বৈধ যাচাই ছাড়াই ওষুধ বিক্রি করছে। নকল ও নিম্নমানের ওষুধ বাজারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে সংগঠন।
যদিও ধর্মঘটের জেরে রোগীদের সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা প্রতিদিন জীবনদায়ী ওষুধের উপর নির্ভরশীল, তাঁদের কথা মাথায় রেখে দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যের খুচরো ওষুধ বিক্রেতা সংগঠন ধর্মঘট থেকে সরে এসেছে। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংগঠন সম্পূর্ণ বন্ধে অংশ নিচ্ছে না।
বেঙ্গল কেমিস্টস্ অ্যান্ড ড্রাগিস্টস্ অ্যাসোসিয়েশন বা বিসিডিএ অবশ্য অনলাইন ই-ফার্মেসির বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনের বক্তব্য, নিয়ন্ত্রণহীন অনলাইন ওষুধ বিক্রি দেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় বিপদ হয়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে, ধর্মঘট ঘিরে উদ্বেগ থাকলেও জরুরি ওষুধ পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না। তবু চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, নিয়মিত প্রয়োজনীয় ওষুধ আগে থেকেই সংগ্রহ করে রাখাই ভাল।