পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিদেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্র সবরকম পদক্ষেপ করছে। সোমবার একথা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য দিল্লি পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় রেখে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত শান্তি ও আলোচনার মাধ্যমে সকল বিরোধের সমাধান চায়। বিশেষ করে প্রবাসী ভারতীয়দের সুরক্ষাকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
মার্কিন ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর গোটা পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা চরমে। অনেক দেশেই বিমান পরিষেবা স্থগিত এবং আকাশসীমা বন্ধ করা হয়েছে। এর ফলে বহু ভারতীয় ওই অঞ্চলে আটকে পড়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি ইতিমধ্যেই তাঁদের নিরাপদে ফেরানোর ব্যাপারে তৎপর হয়েছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে বর্তমানে ৪ দিনের সফরে ভারতে রয়েছেন। সোমবার তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পরে মোদী পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ভারত সবসময় আলোচনা ও কূটনৈতিক পথে সমস্যার সমাধান চায়।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও কট্টরপন্থা শুধু ভারত বা কানাডার নয়, গোটা বিশ্বের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভারতের অবস্থান সবসময় শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে।
দিল্লিতে কার্নের সঙ্গে বৈঠকের পর মোদী জানান, আগামী দিনে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্ষেত্রে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে। এছাড়া ভারত ও কানাডার মধ্যে একটি ইউরেনিয়াম চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতে ছোট মাপের মডিউলার রিঅ্যাক্টর তৈরিতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে।’