ডিকে শিবকুমার শপথ নেওয়ার তিন দিনের মাথায় পদত্যাগ করলেন মন্ত্রী রামালিঙ্গা রেড্ডি। মুখ্যমন্ত্রী শিবকুমারের জন্য বিরাট ধাক্কা হিসেবেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রামালিঙ্গা রেড্ডি দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিলেন বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব যেন তাঁকে দেওয়া হয়। সিদ্দারামাইয়ার মন্ত্রীসভায় ওই দপ্তরটি ছিল শিবকুমারের হাতে। কর্ণাটকে অর্থ দপ্তর এবং পুলিশ দপ্তরের পর বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দপ্তরটিকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ওই দপ্তরের আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও প্রচুর।
রামালিঙ্গা রেড্ডি দলের প্রবীণ নেতা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই দপ্তরের দাবিতে অনড় ছিলেন। এমনকী তিনি এমনও দাবি করেছিলেন, শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে যেন ওই দপ্তরটি তাঁকে দেওয়া হয়। শিবকুমার তা রামালিঙ্গাকে দেবেন বলেও তিনি দাবি করেছেন। কিন্তু শিবকুমারের মন্ত্রীসভায় সেই দপ্তর রামালিঙ্গা রেড্ডি পাননি। তার বদলে পেয়েছেন সেচ দপ্তর।
নিজের ইস্তফাপত্র সই করে রামালিঙ্গ বলেছেন, ‘আমার কারও উপর কোনও রাগ নেই। আমি হতাশ। ডিকে আমাকে একদিন আগেও ওই দপ্তর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তাই আমি অন্য কোনও দপ্তরে কাজ করতে পারব না। সাধারণ বিধায়ক হিসেবে কাজ করব।‘ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি সিদ্দারামাইয়া বা শিবকুমার কারও উপরই ক্ষুব্ধ নই।‘
কর্ণাটকের ৮ বারের বিধায়ক রামালিঙ্গা রেড্ডি। অতীতে পুলিশ দপ্তরও সামলেছেন তিনি। রাজ্যের প্রভাবশালী নেতা তিনি। ২০২৮ সালে কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রামালিঙ্গার ক্ষোভ, গোটা রেড্ডি সম্প্রদায়কে কংগ্রেসের বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।