যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে না যাওয়ার পরামর্শ জেএনইউ কর্তৃপক্ষের

File Photo

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পর এ বার জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) কর্তৃপক্ষও শিক্ষক ও গবেষকদের উদ্দেশে বিক্ষোভে অংশগ্রহণ নিয়ে সতর্কবার্তা জারি করল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক এক্স  হ্যান্ডলে প্রকাশিত একটি পোস্টে যন্তর মন্তরে চলা ধর্না-বিক্ষোভে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে শিক্ষক ও গবেষকদের।

পোস্টে জেএনইউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক এবং সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্যে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। একই সঙ্গে সমাজমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই নির্দেশ অমান্য করা হলে প্রযোজ্য আইন অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচরণবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

<blockquote class=”twitter-tweet”><p lang=”en” dir=”ltr”>Advisory<br>All stakeholders of JNU’s epistemic community are advised to act responsibly and prioritize their personal safety. In accordance with the Hon’ble Supreme Court of India’s directions on public demonstrations, you are requested to refrain from participating in or visiting…</p>&mdash; Jawaharlal Nehru University (JNU) (@JNU_official_50) <a href=”https://x.com/JNU_official_50/status/2080526866914672651?ref_src=twsrc%5Etfw”>July 24, 2026</a></blockquote> <script async src=”https://platform.x.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>


বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, শিক্ষক ও গবেষকদের প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধ ও মর্যাদা বজায় রেখে আচরণ করা উচিত। পাশাপাশি, প্রকাশ্য স্থানে বিক্ষোভ বা জমায়েতের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনে চলারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পর জেএনইউ-র এই পদক্ষেপ উচ্চশিক্ষা মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দেশের দুই শীর্ষ কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ধারাবাহিকভাবে এই ধরনের নির্দেশিকা জারি হওয়ায় শিক্ষক ও গবেষকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।