রাজনীতিতে নামছে ককরোচ জনতা পার্টি? বৈঠকের পর বড় ইঙ্গিত অভিজিতের

CJP Founder Dipke Attacks PM Modi (ANI)

ককরোচ জনতা পার্টির প্রথম আন্দোলনে সাফল্য এসেছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এবার কি সরাসরি রাজনীতিতে নামছে ককরোচ জনতা পার্টি? মহারাষ্ট্রে শুরু হয়েছে দলের বৈঠক। দুদিন ধরে ছত্রপতি শম্ভাজিনগরে আলোচনা করছেন প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক এবং অন্যান্য নেতারা।

ককরোচ জনতা পার্টির উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, প্রশ্নফাঁসের জের ধরে আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারের জন্য আর্থিক সাহায্য আদায়। এই উদ্দেশ্য সাধিত হয়েছে। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার পড়ুয়াদের আন্দোলনকে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁদের সব দাবি মেনে নিয়েছে।

ধর্মেন্দ্র ইস্তফা দেওয়ার পর অভিজিৎ জানিয়েছিলেন, ‘আপাতত একটা জিনিসই আমার মাথায় কাজ করছে, বাড়ি গিয়ে ঘুমোতে হবে। আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হবে। দুমাস বাড়ির বাইরে। একটু বিশ্রাম চাই। আমার মনে হয়, যেটা ঘটেছে সেটা আমাদের জন্য সত্যিই গর্বের। সত্যিই খুশি হওয়ার মতো মুহূর্ত।’


ককরোচ জনতা পার্টি এখন নতুন ইস্যুর সন্ধানে নেমে পড়েছে। নিটের পর এবার ঝাড়খণ্ডে লাগাতার পরীক্ষা ব্যর্থতা নিয়ে সরব হতে চলেছে তারা। ঝাড়খণ্ডের পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং স্টাফ সিলেকশনের পরীক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম চলছে, এই অভিযোগে ইতিমধ্যেই আন্দোলনে নেমেছেন সেরাজ্যের ছাত্ররা।

বৈঠকের প্রথম দিনে অভিজিৎ জানিয়েছেন, ‘দেশের যে প্রান্তে পড়ুয়ারা আন্দোলন করছে, সুর চড়াচ্ছে আমরা তাদের পাশে আছি। যদি দরকার হয় আমরা ঝাড়খণ্ডেও যাব। সেই নিয়ে আলোচনা হবে বৈঠকে।’

কিন্তু রাজনীতিতে যোগদান নিয়ে অভিজিৎ স্পষ্ট করে কিছু জানাননি। তাঁর কথায়, ‘এখনই আমরা নিজেদের রাজনৈতিক দল হিসাবে দেখতে চাইছি না। যদিও মিডিয়া ওই বিষয়টি নিয়েই বেশি আগ্রহী। আপাতত আমরা প্রেশার গ্রুপ হিসাবে কাজ চালিয়ে যাব।’ দিল্লির গণ্ডি পেরিয়ে এবার গোটা দেশে নিজেদের ছড়িয়ে দিতে চাইছে ককরোচ জনতা পার্টি। মূলত পড়ুয়াদের আন্দোলনের সঙ্গেই যুক্ত থাকতে চায় সিজেপি।