এই মাসেই সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দিতে চিন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগেই চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই ভারতে এসে গেছেন। ঠিক সেই সময়েই ওড়িশার চাঁদিপুরের ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ থেকে ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল ‘অগ্নি-৫’-এর সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল ভারত।
স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের তত্ত্বাবধানে হওয়া এই উৎক্ষেপণ কৌশলগত এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে সম্পূর্ণ সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) মিসাইল ডিফেন্স প্রজেক্টের তথ্য অনুযায়ী, অগ্নি-৫ মিসাইল ৫,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম। ফলে ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী চিন এবং পাকিস্তান উভয়ই এর আওতায় পড়ছে।
২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ চিন সাগরে আগ্রাসী মনোভাব স্পষ্ট করেছে বেজিং। অন্যদিকে, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, চিনের কাছে প্রায় ৬০০টি পারমাণবিক বোমা রয়েছে, যেখানে ভারতের সংখ্যা প্রায় ১৮০টি।
উল্লেখযোগ্যভাবে, পাকিস্তানের অস্ত্র আমদানির ৮১ শতাংশই আসে চিন থেকে। এই বাস্তবতায় বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এসসিও সম্মেলনের আগে অগ্নি-৫ উৎক্ষেপণ ভারতের কৌশলগত বার্তা— পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিদ্বন্দ্বী চিন ও পাকিস্তানকে প্রতিরোধের ক্ষমতা ভারতের রয়েছে।