বেজিংয়ে ভারত-চিন বৈঠক

পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদী হামলার নিরন্তর জবাব দিয়ে চলছে ভারত। সেইভাবেই চিনের আগ্রাসনও কূটনৈতিক অস্ত্রে সামাল দিচ্ছে ভারত। লাদাখ ও অরুণাচল নিয়ে চিনের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধ অনেকটাই মিটিয়েছে মোদী সরকার। লাদাখ থেকে সেনা সরানোর পরই বুধবার এই আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যেতে বেজিং গেলেন ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। সেখানে হবে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। বেজিংয়ে এই বৈঠকে অংশ নেবেন সে দেশের বিদেশ মন্ত্রী ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা ওয়াং ই।

এর আগে ২১ অক্টোবর পূর্ব লাদাখের ডেমচক এবং ডেপসাং থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছিলো দুই দেশ। সেই সিদ্ধান্তের পিছনে ছিল কূটনৈতিক দৌত্য। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে ডোভাল ও ওয়াং ই-র বৈঠকে। ১২ সেপ্টেম্বরের সেই বৈঠকেই ঠিক হয়েছিল দুই দেশের মধ্যে ধারাবাহিক  কথাবার্তা চলবে।

সবচেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ, ২১ অক্টোবর দুই দেশ লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে সেনা সরানোর ২ দিনের মাথায় রাশিয়ার কাজান শহরে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে সারেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ৫ ডিসেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় দুই দেশের অফিসার পর্যায়ের প্রথম দফার বৈঠক।


দুই দেশের আলোচনায় এখন গুরুত্ব পেতে চলেছে কীভাবে সীমান্ত সংঘাত কমিয়ে আনা যায়। সেই উদ্দেশ্য সফল হলে চূড়ান্ত লক্ষ্য হবে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সেনা প্রত্যাহারের পরিবেশ তৈরি করা। ২০২০ থেকে দুই দেশের মধ্য সীমান্ত সংঘাত লেগেই আছে। দু’দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে তুলেছিল সীমানা লঙ্ঘনের অভিযোগ।