দেশে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সঙ্কট চলছে এবং কয়লার ঘাটতিতে গ্রিড ভেঙে পড়তে পারে— এমন অভিযোগের জবাবে কড়া বার্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি তথ্য যাচাইকারী সংস্থা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই সমস্ত দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা নাকি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে এবং তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লার মজুত প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কার কথাও বলা হয়।
এই সমস্ত দাবি খারিজ করে সরকার জানিয়েছে, ২ মে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ২২৯ গিগাওয়াট এবং তা পুরোপুরি পূরণ করা হয়েছে। কোথাও কোনও বিদ্যুৎ ঘাটতি হয়নি।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত কয়লার মজুত রয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৫৩.৭০২ মিলিয়ন টন কয়লা মজুত আছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট।
গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও, সরকার জানিয়েছে যে বিদ্যমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী। এই ব্যবস্থাগুলি গ্রিডের ভারসাম্য বজায় রাখতে সক্ষম এবং কোনও বড় ধরনের বিপর্যয় প্রতিরোধ করতে পারে।
উচ্চ তাপমাত্রার সময় বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক। তবে আগাম পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সেই পরিস্থিতিও সফলভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
সরকার সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দিয়েছে, এই ধরনের ভুয়ো খবর এড়িয়ে চলতে এবং শুধুমাত্র সরকারি সূত্রের তথ্যের ওপর নির্ভর করতে।