বড়সড় হামলার হাত থেকে বাঁচল ভারতবর্ষ। গুজরাত পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা বিশেষ অভিযানে গুজরাত ও মধ্যপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করল জইশ সংগঠনের স্লিপার সেলের অত্যন্ত সক্রিয় আট সদস্যকে। এটিএস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার জইশের ওই আট সদস্যকে গুজরাতের বনাসকন্ঠা, পাটন, নবসারি ও মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এটিএসের দাবি, দুই রাজ্যে বেশ কয়েকটি ধর্মীয় শিক্ষার নামে মগজধোলাই চলত। শুধু তাই নয়, ধর্মীয় শিক্ষারর নামে মগজধোলাই চলত। ধৃত জঙ্গিদের বয়স ১৮-৪০। গুজরাতে সন্ত্রাসের জাল ছড়াতে শুরু করেছিল এই স্লিপার সেল। আর এখান থেকেই দেশের বড় শহরগুলিতে হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। গুজরাতেরর ঠিক কোন কোন জায়গাতে এই স্লিপার সেলের নেটওয়ার্ক রয়েছে সেগুলি খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ধৃতেরা সকলেই জইশ ই মহম্মদের সদস্য। ধৃতদের নাম, আহমদ আবদুল্লা, আবু হামজা, আবু আয়া, জাকারিয়া দুরানি, মুফতি সাহাব, মহম্মদ আমিন শেরা, আবদুল রহমান সাভধি, আবু দুজানা।
প্রসঙ্গত এর আগেই জানা গিয়েছিল রোহিঙ্গাদের নিয়ে দেশে তৈরি হচ্ছে নতুন জঙ্গি মডিউল! ঘরে ঘরে জঙ্গি তৈরি করতে সন্ত্রাসবাদীদের হাতিয়ার রোহিঙ্গা ললনা! বাংলাদেশ ও মায়ানমার থেকে মহিলা রোহিঙ্গাদের পাচার করা হচ্ছে বাংলায়! উদ্দেশ্য, জঙ্গি সংগঠনের স্লিপার সেলের সদস্যদের সঙ্গে তাঁদের বিয়ে দেওয়া। পরিবার তৈরি করা। যাতে তাঁদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে ‘জেহাদি’ তৈরি করা যায়। নাশকতার দীর্ঘমেয়াদি ‘মোডাস অপারেন্ডি’ নিয়ে কাজ করছে জেহাদিরা। এনআইএ তদন্তে উঠে আসছে বিস্ফোরক তথ্য। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। আরও জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ, মায়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গাদের ঠাঁই দিতেও আশ্রয় কাজ করবেন এই রোহিঙ্গা মহিলারা। আত্মীয়ের পরিচয় দিয়ে সহজেই তাঁদের বাড়িতে আশ্রয় নিতে পারবে জেহাদের উদ্দেশ্য নিয়ে এদেশে আসা রোহিঙ্গারা। মহিলাদের পরিচয় দিয়ে সহজেই বাড়ি ভাড়াও পেয়ে যাবে তারা। আর রোহিঙ্গা ললনা পাচারে জেহাদিদের ভরসা মহিলা পাচারকারী।