খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গণেশ পেঠ থানার পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে এলাকা ঘিরে ফেলা হয় এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল ডাকা হয়। পরে ব্যাগটি পরীক্ষা করে চমকে ওঠেন তদন্তকারীরা। সেখানে পাওয়া যায় ১৫টি জিলেটিন স্টিক, ৫০টি ডেটোনেটর এবং ৮টি কানেক্টর— যা অত্যন্ত বিপজ্জনক বিস্ফোরক সামগ্রী হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যাগটি বেশ কয়েকদিন ধরেই ওই জায়গায় পড়ে ছিল। যদিও পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে প্রায় এক মাস ধরেই ব্যাগটি সেখানে ছিল। অধ্যাপক লাঞ্জেওয়ারের সন্দেহ হওয়াতেই বিষয়টি সামনে আসে।
নিরাপত্তার স্বার্থে আশেপাশের দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং এলাকা খালি করে রাখা হয়। আরএসএস সদর দপ্তরের নিকটবর্তী হওয়ায় গোটা ঘটনার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে— কীভাবে এত বিস্ফোরক সেখানে এল, কারা এর পিছনে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।