সোমবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল উত্তর-পশ্চিম কাশ্মীরের লাদাখ। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৭। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি সকাল ১১টা ৫১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে ঘটে। এনসিএস সূত্রে জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল লেহ–লাদাখ এলাকায় এবং কম্পনের গভীরতা ছিল প্রায় ১৭১ কিলোমিটার। এই কম্পন অনুভূত হয়েছে হিমালয় পর্বতমালার ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল জুড়ে। কম্পন অনুভূত হয়েছে কাশ্মীরেও। আতঙ্কে পর্যটকরা। আফটারশক হতে পারে জানিয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বাসিন্দাদের।
শুধু তাই নয়, ভূমিকম্প টের পাওয়া গিয়েছে তাজিকিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশেও। তবে এই ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। এদিন সোমবার সকালে মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে দিল্লিতেও। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ২.৮। কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজধানী সংলগ্ন এলাকাগুলিতেও। জাতীয় ভূকম্পনকেন্দ্রের তথ্যানুযায়ী, সকাল ৮টা ৪৪ মিনিট ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দিল্লি। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের কেন্দ্রস্থল।
উল্লেখ্য, এর ঠিক এক দিন আগেই আফগানিস্তানে ৪.১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। ১৫ জানুয়ারি সেখানে ৪.২ মাত্রার ভূমিকম্প হয় ৯৬ কিলোমিটার গভীরে। তার আগের দিন, ১৪ জানুয়ারি, ৯০ কিলোমিটার গভীরে ৩.৮ মাত্রার আরেকটি কম্পন নথিভুক্ত হয়। উল্লেখ্য, ১৩ জানুয়ারি উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বরে মৃদু ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৩.৫। এর পরের দিনই ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে সোনিপথও। বিশেষজ্ঞদের মতে, অপেক্ষাকৃত অগভীর ভূমিকম্প সাধারণত বেশি বিপজ্জনক। কারণ, ভূকম্পন তরঙ্গ কম দূরত্ব অতিক্রম করে ভূ-পৃষ্ঠে পৌঁছায়, ফলে মাটির কম্পন বেশি হয় এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ে।