জ্বালানি সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তায় সাড়া, মেট্রোয় বিমানবন্দরে হজযাত্রীরা

জ্বালানি সাশ্রয় এবং শক্তির সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে অভিনব উদ্যোগ নিল দিল্লির হজ কমিটি। শুক্রবার সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হওয়া হজযাত্রীদের বাস বা বড় গাড়ির বদলে দিল্লি মেট্রোর বিমানবন্দর এক্সপ্রেস লাইনে করে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছনোর ব্যবস্থা করা হয়।

নয়াদিল্লি মেট্রো স্টেশন থেকে বিমানবন্দরের তিন নম্বর টার্মিনাল পর্যন্ত হজযাত্রীরা মেট্রোয় যাত্রা করেন। আয়োজকদের দাবি, এতে একদিকে যেমন জ্বালানি সাশ্রয় হবে, তেমনই পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ ব্যবহারের বার্তাও পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

দিল্লি রাজ্য হজ কমিটির চেয়ারপার্সন কওসর জাহান যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জ্বালানি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব জুড়ে এখন শক্তি সঙ্কটের পরিস্থিতি চলছে। তার প্রভাব বিভিন্ন দেশে পড়ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী জ্বালানি ও শক্তি সাশ্রয়ের আবেদন জানিয়েছেন। দেশের নাগরিক হিসেবে সেই আহ্বান মেনে চলা আমাদের দায়িত্ব।’


তিনি আরও বলেন, ‘দেশের স্বার্থে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে আমরা মানুষকে মেট্রো ব্যবহার করতে উৎসাহিত করছি। বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য বড় গাড়ি, কনভয় বা বাসের বদলে মেট্রো অনেক বেশি কার্যকর এবং পরিবেশবান্ধব।’

হজযাত্রীদের একাংশও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এক যাত্রীর কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি বাঁচানোর আবেদন করেছেন। তাই আমরা বাসের বদলে মেট্রোয় যাত্রা করছি।’ আর এক হজযাত্রী জানান, আগে বিমানবন্দরে বাসে নিয়ে যাওয়া হত। কিন্তু এবার দেশের স্বার্থে জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগে সামিল হওয়াকেই তাঁরা দায়িত্ব বলে মনে করছেন।

আরও এক যাত্রীর বক্তব্য, ‘প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমরা তাকে সমর্থন করি। দেশের উন্নতির জন্য জ্বালানি সাশ্রয় জরুরি।’ পরিবেশবিদদের একাংশের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে গণপরিবহণ ব্যবহারের প্রবণতা বাড়াতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে বড় শহরগুলিতে দূষণ এবং অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যবহারের চাপও কিছুটা কমতে পারে।