দিল্লির পাতিয়ালা হাউস আদালত সম্প্রতি কৃত্রিম মেধা সম্মেলনের সময় ভারত মণ্ডপমে যুব কংগ্রেস কর্মীদের আচরণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রতিবাদ বা ভিন্নমত প্রকাশ করার অধিকার থাকলেও দেশের কূটনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা বা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করা ঠিক নয়। যুব কংগ্রেসের ওই কর্মীদের আচরণ ভিন্নমতের সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে আইনশৃঙ্খলার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিদেশি প্রতিনিধিদের সামনে ভারতের অবস্থানকে খাটো করে বা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করে, এমন আচরণও করা যায় না।
এআই সম্মেলনে বিক্ষোভ দেখানোর জন্য চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কৃষ্ণ হরি, কুন্দন যাদব, অজয় কুমার এবং নরসিংহ যাদব আদালতে জামিনের আবেদন করে। তাঁদের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভারত মণ্ডপে প্রবেশ করে জামায় প্রধানমন্ত্রীর ও কেন্দ্র সরকারের নীতি-বিরোধী লেখা দেখান এবং জোরে জোরে স্লোগান তোলেন। এমন আচরণ কেবল সম্মেলনের কার্যক্রম ব্যাহত করেনি, বিদেশি অতিথিদের সামনে দেশের কূটনৈতিক ভাবমূর্তিকেও বিপন্ন করেছে।
আদালতের মন্তব্য, ‘গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোর মধ্যে ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার আছে। কিন্তু এটি দেশের নিরাপত্তা বা আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে না। ‘যুব কংগ্রেস কর্মীদের কর্মকাণ্ড ভিন্নমতের বৈধ সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং এটি আইনশৃঙ্খলা ও কূটনৈতিক ভাবমূর্তির জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হয়। আদালতের এই সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক অবস্থান রক্ষার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।