দিল্লিতে আটক আইনজীবীদের মুক্তির নির্দেশ প্রধান বিচারপতির, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

ফাইল চিত্র

দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনার পারদ চড়ল। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আইনজীবীদের পাশাপাশি চেম্বারে থাকা আইনজীবীদেরও আটক করার অভিযোগ উঠল দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। আটক আইনজীবীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার সুপ্রিম কোর্ট থেকে বেরিয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন একদল আইনজীবী। অভিযোগ, বিক্ষোভ চলাকালীন তাঁদের আটক করে পুলিশ। আইনজীবীদের টেনে বাসে তোলারও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়েই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন আইনজীবীরা। তাঁদের বক্তব্য, ইউনিফর্ম পরা আইনজীবীদের গায়ে হাত দিতে পারে না পুলিশ।

ঘটনার পরই সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের দ্বারস্থ হন আইনজীবীরা। শনিবার আদালতের ছুটির দিন হওয়ায় জরুরি শুনানির আর্জি জানানো হয়। এই বিষয়ে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতার সঙ্গেও যোগাযোগ করেন বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা বলে খবর।


পুরো বিষয়টি জানার পরেই হস্তক্ষেপ করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে আটক আইনজীবীদের দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা করার বার্তা দেন তিনি। সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আইনজীবী দেবরাট এই খবর নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, শনিবার সকাল থেকেই দিল্লিতে আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধিরাও পথে নেমেছেন। আন্দোলনকারীদের আটক করা নিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পিনারাই বিজয়নকে আটক করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁদের প্রিজন ভ্যানে করে ঘোরানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ। সব মিলিয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ, পুলিশি পদক্ষেপ এবং আইনজীবীদের আটক করা নিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।