শর্তসাপেক্ষে ভারতকে আবার বিরল খনিজ দেবে চিন

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

ভারতে আবার বিরল খনিজ রপ্তানিতে অনুমোদন দিয়েছে চিন। বেজিংয়ের পক্ষে থেকে ৬ মাস পর আবার শুরু হয়েছে রপ্তানি। বিরল খনিজ রপ্তানিতে কড়া বিধিনিষেধ জারি করেছিল চিন। সেই বিধিনিষেধের পরই আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত শুরু হয় চিনের। বিশ্বের বাজারেও বিরল খনিজ রপ্তানিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এনেছিল চিন। তবে এখন আর সেই বাধা থাকছে না। তবে দিল্লির উপর শর্ত চাপিয়েছে বেজিং। শর্ত ভঙ্গ হলে ফের বন্ধ হতে পারে রপ্তানি। 

সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ভারতের ৪টি সংস্থাকে বিরল খনিজ সরবরাহ করবে চিন। এগুলি হল হিতাচি, কন্টিনেন্টাল, জে-শিন এবং ডিই ডায়মন্ডস। শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, চিন থেকে আমদানি করা বিরল খনিজ আমেরিকাকে রপ্তানি করা যাবে না। পাশাপাশি সামরিক খাতেও এই বিরল খনিজ ব্যবহার না করার কথা বলেছে চিন।
 
বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়  চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে ট্রাম্পের। ২০১৯-এর পর মুখোমুখি হন দুই রাষ্ট্রনেতা। বৈঠক সফল হয়েছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। প্রসঙ্গত আমেরিকা ও চিনের মধ্যে সংঘাতের অন্যতম কারণ বিরল খনিজ। বিরল খনিজ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে বেজিং। এই বৈঠকে খনিজ সমস্যার সমাধান হয়েছে। চিনের সঙ্গে এক বছরের চুক্তি হয়েছে আমেরিকার। এর পরে ভারতের উপর শর্ত চাপিয়ে আবার বিরল খনিজ রপ্তানি শুরু করেছে চিন।    
 
চিনের অভিযোগ, তাদের পণ্য বিভিন্ন দেশ সামরিক খাতে ব্যবহার করছে। সেই কারণেই বিশ্বব্যাপী শান্তির কথা ভেবে খনিজ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সম্প্রতি বেজিং বিভিন্ন দেশে নির্দেশিকা পাঠিয়ে জানিয়েছে, তারা বিরল খনিজ রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ নীতি কার্ষকর করছে। ভারতের ৪টি সংস্থা ছাড়াও চিনের বাণিজ্যমন্ত্রকের কাছে ৫০টিরও বেশি আবেদন জমা রয়েছে যাদের এখনও ছাড়পত্র মেলেনি।