উত্তরপ্রদেশে জনগণনার পাশাপাশি এবার জাতগণনাও হবে বলে জানালেন রাজ্যের মুখ্য সেনসাস অফিসার শীতল ভার্মা। শীতল জানিয়েছেন, এবারের আদমসুমারিতে প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রতিটি পরিবার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
এবারের আদমসুমারিতে সাক্ষরতার স্তর, প্রজনন ক্ষমতা, পেশার চরিত্র সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। জনগণনার পাশাপাশি এবার জাতগণনাও করা হবে। শীতল আরও জানিয়েছেন, জনসংখ্যার প্রেক্ষাপটে যিনি একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের সাধারণ বাসিন্দা, তিনিই সেই এলাকার জনসংখ্যার অংশ হিসাবে গণ্য হবেন এবং জনগণনার আওতায় থাকবেন।
স্বাধীনতাপ্রাপ্তির পর থেকে এটা হবে অষ্টম জনগণনা। স্বাধীনতার পর হওয়া সব জনগণনাতেই জাতপাতের প্রশ্নটি বিবেচনার বাইরে রাখা হয়েছিল। যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। অভিযোগ, জাতপাতের তথ্য সংগ্রহ করা হলে সামাজিক বৈষম্য, বিভাজনের ছবি সামনে চলে আসবে। সে কারণেই জাতগণনার বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। রেজিস্ট্রার জেনারেল অ্যান্ড সেনসাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয়কুমার নারায়ণন দেশবাসীকে জনগণনার কাজে আসা কর্মীদের সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্যই গোপন রাখা হবে। এমনকী, তথ্য জানার অধিকার আইনে কোনও সরকারি বা বেসরকারি সংস্থার সঙ্গেও এই সমস্ত তথ্য শেয়ার করা হবে না। সংগৃহীত তথ্য আদালতে প্রমাণ হিসাবেও পেশ করা হবে না। মৃত্যুঞ্জয়কুমার আরও জানিয়েছেন, জাতপাত সংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করা হবে দ্বিতীয় পর্যায়ে। বিস্তারিত আলোচনার পরই সেই সংক্রান্ত প্রশ্নাবলি চূড়ান্ত করা হবে।