দুর্ঘটনায় আহতদের প্রথমে কোটাবাগের কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়৷ পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয় মাহি বোরাকে৷ কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি৷ সেখানে নিয়ে গেলে ওই কিশোরীকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। বাকি ২ কিশোরী হলদোয়ানির সাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গতবছর ১২ নভেম্বর দেরাদুনের ওএনজিসি চকের কাছে একটি ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটে৷ একটি গাড়িতে ছিলেন ৭ জন৷ ১৯ থেকে ২৫ বছরের ওই পড়ুয়াদের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয় ও ১ জন গুরুতর জখম হন৷ তাঁরা মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে দাবি করা হয়৷ তাঁদের পথ দুর্ঘটনার ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়৷ দেখা যায়, দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটি একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে৷ রাস্তায় আরোহীদের শরীরের অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়৷ গাড়ির ভিতরেও ২-৩ জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷ গভীর রাতে তাঁরা পার্টি করে বাড়ি ফিরছিলেন বলে জানা যায়৷