স্বতন্ত্রকে ৭২ ঘণ্টায় গ্রেপ্তারের আশ্বাস, থানায় সিজেপি

Photo: X

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন এক বিক্ষোভকারীর বাবা সঞ্জয় কুমারকে মারধরের অভিযোগে অভিযুক্ত স্বতন্ত্র ভরদ্বাজকে গ্রেপ্তারের দাবিতে শুক্রবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানা ঘেরাও করল সিজেপি। দলের নেতা আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসের সঙ্গে সাংসদ চন্দ্রশেখর আজাদ ও পাপ্পু যাদবও থানায় যান। দীর্ঘ আলোচনার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ বলে সিজেপির দাবি।

তবে সেই আশ্বাসের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বুলন্দশহরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ভরদ্বাজ পালিয়ে যান বলে সূত্রের খবর। হেলমেট পরে মোটরসাইকেলে করে নাইথলা গ্রাম থেকে খুরজার দিকে চলে যান তিনি। তাঁকে ধরতে পুলিশের একাধিক দল তল্লাশি চালাচ্ছে।

গত জুলাইয়ে নিট-বিক্ষোভের সময় যন্তর মন্তরে ছাত্রকর্মী নিশু আজাদের বাবা সঞ্জয় কুমারকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ভরদ্বাজের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ওই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয়ের মাথায় আঘাত করার কথা স্বীকার করেছেন বলে অভিযোগ। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পরেই তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি জোরালো হয়।


পুলিশ যদিও সঞ্জয়ের মাথার খুলি ফেটে যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ধস্তাধস্তির সময় তিনি সামান্য আহত হন। এই ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুক্রবার সিজেপি এফআইআরে হত্যার চেষ্টা, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এবং এসসি/এসটি আইনের ধারা যুক্ত করার দাবি জানিয়েছে।

এদিকে, নিশুর অভিযোগ, বাবার উপর হামলার ঘটনার পর তাঁকে অনলাইনে গালিগালাজ ও ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে পৃথক এফআইআর করার আশ্বাসও পুলিশ দিয়েছে বলে সিজেপির দাবি। এক সাক্ষাৎকারে ভরদ্বাজ রাজনৈতিক যোগাযোগের জোরে গ্রেপ্তারি এড়িয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। কপিল মিশ্র ও চিরাগ পাসওয়ানের নামও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর এই দাবিরও ব্যাখ্যা চেয়েছে সিজেপি।

আরও পড়ুন: বিপদের মুখে ইন্ডিগোর বিমান, শ্রীনগরে অবতরণের সময় ধাক্কা পোলে, তারপর?

যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করা নিয়ে পুলিশের আগের দাবিও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। পুলিশের দাবি, ফেসিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে ২ হাজার ৮৭৩ জন অপরাধীর হদিস মিলেছিল। কিন্তু তাঁদের মধ্যে ২৫ জন এমনও ছিলেন, যাঁরা ওই সময় দিল্লির বিভিন্ন জেলে বন্দি ছিলেন। ফলে প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্তকরণের নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।