লখনউ অগ্নিকাণ্ডে বেআইনি নির্মাণ ও গাফিলতির অভিযোগ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

Photo: IANS

লখনউয়ের আলিগঞ্জে কোচিং ও অ্যানিমেশন সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে একের পর এক অনিয়মের তথ্য সামনে আসছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, যে ভবনে আগুন লাগে সেটি মূলত একটি আবাসিক বাড়ি ছিল। ২০১৪ সালে সেটিকে বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক ভবনে রূপান্তর করা হয়। ২০১৬ তে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হলেও মাত্র দু’মাসের মধ্যে সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়।

তদন্তকারীদের দাবি, ভবনটিতে কোনও ফায়ার এক্সিট ছিল না। প্রবেশ ও বেরোনোর জন্য ছিল মাত্র একটি পথ। শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনায় ভবনের মালিক বীরেন্দ্র প্রসাদ শুক্লা-সহ চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং চার সরকারি আধিকারিককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ২৯ বছরের থ্রিডি অ্যানিমেশন শিল্পী অনামিকা সামন্ত। অন্যদিকে, আগুনে আটকে পড়ে মৃত্যুর আগে বাবাকে ফোন করে ‘বাবা আমাকে বাঁচাও’ বলে আকুতি জানিয়েছিলেন বারাবাঁকির বাসিন্দা মহম্মদ শাহজাহান। এই হৃদয়বিদারক ঘটনা দেশজুড়ে শোকের ছায়া ফেলেছে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।  মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।