ভুয়ো শিক্ষক, প্রাপ্যের ১০ গুণ বেতন, বিহারে শিক্ষা দপ্তরের পোর্টালে ১.৮৫ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ

File Photo

বিহারের শিক্ষা দপ্তরের বেতন সংক্রান্ত পোর্টালে অনিয়মের অভিযোগ উঠল সরকারের নিজস্ব অডিটে। কোথাও অস্তিত্বহীন শিক্ষকের নামে টাকা পাঠানো হয়েছে। তো কোথাও আবার প্রাপ্য বেতনের আট থেকে দশ গুণ টাকা ঢুকেছে শিক্ষকের অ্যাকাউন্টে। পাটনা, নওয়াদা ও ভাগলপুরে তিনটি ঘটনায় প্রায় ১ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লগ-ইন তথ্যের অপব্যবহার করে বেতনের নথিতে কারচুপি করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনায় পুলিশি তদন্তের পাশাপাশি বিভাগীয় পদক্ষেপও শুরু হয়েছে। অন্তত ৪ জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রের খবর।

বিহারের শিক্ষামন্ত্রী মিথিলেশ তিওয়ারি এক সর্বভারতীয় সাংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনটি ঘটনার কথা সামনে এসেছে। ফলে বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক। রাজ্যের ৩৮টি জেলাতেই সরকারের অভ্যন্তরীণ অডিট চলছে। পোর্টালে কারচুপি রুখতে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রথমে নওয়াদা জেলায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, রাজৌলির এক প্রাথমিক স্কুলশিক্ষকের গত বছরের এপ্রিলে ৪৬ হাজার ৭৭২ টাকা বেতন পাওয়ার কথা থাকলেও তাঁর অ্যাকাউন্টে ঢোকে ৪ লক্ষ ৯১ হাজার ৭৭২ টাকা। পরের মাসেও তিনি ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা পান। বেতনের নথি তৈরি ও যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকা শিক্ষা দপ্তরের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে অনুমোদন ছাড়াই ভাতা যোগ করার অভিযোগ উঠেছে। সব মিলিয়ে ওই শিক্ষকের অ্যাকাউন্টে ১০ লক্ষ ৪৩ হাজার ৯৫০ টাকা বেআইনিভাবে পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এফআইআরও দায়ের হয়েছে।


আরও পড়ুন: ‘অর্ণব’-এর জেরে লন্ডভন্ড অন্ধ্র, ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

পাটনায় জেলা শিক্ষা আধিকারিকের লগ-ইন আইডি ব্যবহার করে বেতনের নথিতে অনুমোদনহীন অঙ্ক যোগ করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ভাগলপুরে অস্তিত্বহীন শিক্ষকের নামে টাকা পাঠানোর অভিযোগে জেলাস্তরের আধিকারিক শশীচন্দন চৌধুরীকে গত ৯ অক্টোবর গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে ওই ঘটনায় কত টাকা সরানো হয়েছিল তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।