পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জানা যাচ্ছে, বাড়ির পাশেই একটি ধাবা চালাতেন বছর ৪১-এর যুবক সঞ্জয় কুমার। দিন দশেক আগে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছিল এই ধাবায়। অগ্নিকাণ্ডের জেরে গুরুতর আহত হয়েছিলেন সঞ্জয়।সঞ্জয়ের চিকিৎসার জন্য তাঁর পরিবারের সমস্ত সঞ্চয় শেষ হয়ে গিয়েছিল। এরপর আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করা হয়েছিল।
কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সূত্রে জানা গেছে, বিমানটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেয়। খারাপ আবহাওয়ার কারণে যাত্রাপথ ঘুরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে কলকাতা এটিসি-র সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং রাডার থেকেও বিমানটি হারিয়ে যায়। শেষবার বিমানটি উত্তরপ্রদেশের বারাণসী থেকে ১০০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্বে দেখা গিয়েছিল।
এই ঘটনায় খারাপ আবহাওয়া দায়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।ঘটনার তদন্ত চলছে। নিহতদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।রাঁচি বিমানবন্দরের ডিরেক্টর বিনোদ কুমার জানান, খারাপ আবহাওয়ার কারণেই সম্ভবত দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত না-হওয়া পর্যন্ত তা নিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব নয়। কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তকারী সংস্থা এএআইবি-র প্রতিনিধিদল দুর্ঘটনাস্থলে গিয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা নাগাদ দিল্লি থেকে লেহ্ যাওয়ার পথে স্পাইসজেটের একটি যাত্রীবাহী বিমান এসজি ১২১, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাঝ আকাশে সমস্যার মুখোমুখি হয়। পাইলট অবিলম্বে দিল্লি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের অনুমতি চায় এবং বিমানটি নিরাপদে ফেরৎ আনা হয়। এই ঘটনায় কোনো যাত্রী আহত হননি। বিমানে ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন।বিমানবন্দর সূত্রে খবর, সকাল ৬টা ৪৯ মিনিটে স্পাইসজেটের উড়ানটি দিল্লিতে অবতরণ করে।
সোমবার রাতের দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খুঁজে বার করার জন্য তদন্তে স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল। ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করারও দাবি জানিয়েছে।