মধ্যপ্রদেশে বিষাক্ত জলের ভান্ডার

প্রতীকী চিত্র

মধ্যপ্রদেশের ক্ষেত্রে ‘জলই জীবন’ আর বলা যাবে না। এখানকার পানীয় জল যেভাবে বিষে পরিণত হয়েছে তা এক ভয়াবহ জনস্বাস্থ্য সংকট। কেন্দ্রীয় সরকারের জল জীবন মিশন–এর সাম্প্রতিক রিপোর্টে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর ছবি।

রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের গ্রামীণ এলাকায় সরবরাহ হওয়া পানীয় জলের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষের জন্য অনুপযুক্ত। কারণ এই জলে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ব্যাকটেরিয়া এবং রাসায়নিক। সেই জল লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন বাধ্য হচ্ছেন পান করতে। অথচ মধ্যপ্রদেশ সরকারের ঘোষণা মতে– জল জীবন মিশনের আওতায় ৯৯.১ শতাংশ গ্রামে পাইপলাইন পৌঁছেছে। কিন্তু বাস্তবে মাত্র ৭৬.৬ শতাংশ পরিবারে জল সরবরাহ হয়। অর্থাৎ প্রতি চারটি পরিবারের মধ্যে একটি পরিবারে হয় কল অচল, নয়তো জলই আসে না।

সম্প্রতি ইন্দোরের ভাগীরথপুরা এলাকায় দূষিত জল পান করে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। যদিও স্থানীয়দের দাবি, মৃতের সংখ্যা ১৮ জন। এই ঘটনায় ৪২৯ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, যাঁদের মধ্যে ১৬ জন এখনও আইসিইউতে এবং তিন জন ভেন্টিলেশনে রয়েছেন।


চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি, ২০২৬ প্রকাশিত Functionality Assessment Report অনুযায়ী, মধ্যপ্রদেশে মাত্র ৬৩.৩ শতাংশ পানীয় জলের নমুনা গুণমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। যেখানে জাতীয় গড় ৭৬ শতাংশ, সেখানে রাজ্যের ৩৬.৭ শতাংশ নমুনা পরীক্ষায় ব্যর্থ।