জেন জি’র বিক্ষোভের জেরে অশান্ত নেপাল। গোটা দেশের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত জেল ভেঙে পালিয়েছে অন্তত ১৫০০ কয়েদি। এবার নেপালের জেল থেকে পালানো কয়েদিরা ভারতে পালিয়ে আসতে চাইছে বলে অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা। নেপালের জেল থেকে পালিয়ে ভারতে ঢুকতে চাওয়া পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ওই কয়েদিদের। নেপাল এখনও বিক্ষোভের আগুন জ্বলছে। সারা দেশেও চলছে লুটতরাজ। ব্যাঙ্ক ডাকাতির খবর যেমন মিলছে, তেমনই নিশানা করা হচ্ছে শিল্পপতি ও নেতাদের বাড়ি। জেল থেকে পালাচ্ছে কয়েদিরা। সেনার গুলিতে মৃত্যুও হয়েছে পালাতে চেষ্টা করা ৫ জন কয়েদির।
জেল থেকে পালিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছে কয়েদিরা। বুধবার সশস্ত্র সীমা বল জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের সিদ্ধার্থনগর জেলার সীমান্ত পেরিয়ে ওই কয়েদিরা ঢোকার চেষ্টা করছিল। তারা কোনও পরিচয়পত্র দেখাতে পারেনি। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, নেপালের জেল থেকে পালিয়ে এসেছে ওই পাঁচজন। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় ওই পাঁচ জনকে। সেখানেই তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, প্রতিবেশী দেশ নেপাল অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠতেই সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে এসএসবি।
অনেক দিন ধরেই নেপালে কেপি শর্মা ওলি সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সম্প্রতি সেদেশে ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স হ্যান্ডল-সহ ২৬ ধরনের সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ হওয়ায় বিক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। প্রতিবাদে রাস্তায় নামে সেখানকার তরুণ প্রজন্ম। কেপি শর্মা ওলি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে চালাচ্ছেন তাঁরা। পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। কাঠমান্ডুতে কারফিউ জারি করেছে প্রশাসন। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রতিবাদে সামিল তরুণ তুর্কিরা। নামানো হয় সেনা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গুলিতে ৩০ বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে। আহত ১০০০-এর বেশি।