মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে সোমবার রাতে বহুতল ভেঙে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ওই বহুতলটি আচমকা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। এর জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২ জনের। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও ১২ জন। এই দুর্ঘটনা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইন্দোর শহরে।
পুলিশ সূত্রে খবর, দুর্ঘটনার সময় বহুতলটির ভিতরে মোট ১৪ জন ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে ভবনটি ভেঙে পড়ে। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছয় পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল। বহুক্ষণ ধরে চলে উদ্ধারকাজ। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় আহতদের। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির জেরে ভবনটির গাঁথনিতে ফাটল দেখা দিয়েছিল। প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। বহুতলের ভিতর কাঠামোগত দুর্বলতাই যে এই দুর্ঘটনার মূল কারণ, তা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরাও।
ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশ কমিশনার সন্তোষ কুমার সিং, মেয়র পুষ্যমিত্র ভার্গব এবং স্থানীয় বিধায়ক গোলু শুক্লা। তাঁরা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন ও উদ্ধারকাজের তদারকি করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। গাফিলতির প্রমাণ মিললে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার রাতেই বৃষ্টির কারণে ইন্দোরের রানিপুরা এলাকায় আরও একটি তিনতলা বাড়ি ধসে পড়ে। ওই ধ্বংসস্তূপ থেকে বেশ কয়েক জনকে উদ্ধার করে একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে ওড়িশার বালেশ্বর দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে এক আদিবাসী দম্পতির। রবিবার রাতে ওই ঘটনা ঘটে বস্তা থানার মহাদেব সাইরানি গ্রামে।