রাজস্থানের কোটার তালওয়ান্দি শহরে বহুতল ভেঙে মৃত্যু পশ্চিমবঙ্গের এক বাসিন্দা-সহ ২ জন। আহতের সংখ্যা কমপক্ষে ৫ জন। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতদের নাম অনরণ্য কর্মকার(১৯) ও লক্ষ্মণ (১৫)। অনরণ্য পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের বাসিন্দা। তিনি কোটায় ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে গিয়েছিলেন বলে খবর। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা সুদীপ্তা কর্মকার।
শনিবার রাতে রেস্তরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন তাঁরা। রাত আনুমানিক ৯টা নাগাদ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বহুতলটি। একতলায় ছিল রেস্তরাঁটি। আটকে পড়েন অনরণ্য ও তাঁর মা-সহ বহু। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে যায় এসডিআরএফের দল। স্থানীয়দের সাহায্যে উদ্ধার কার্য শুরু করেন কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় কোটা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সুদীপ্তাদেবীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর।
অনরণ্য কোচবিহারের বাসিন্দা। পড়াশোনার সূত্রে কয়েক বছর ধরে কোটায় রয়েছেন। সঙ্গে থাকত মা। খবর পেয়ে শনিবার রাতেই কোটা রওনা দিয়েছেন অনরণ্যের বাবা অভিজিৎ কর্মকার। কিছু দিন আগেই কোটা থেকে কোচবিহারের বাড়িতে ফিরেছিলেন অভিজিৎ।
তিনতলার ভবনের পিছনে বেশ কয়েকদিন ধরে কাজ চলছিল বলে খবর। ড্রিল মেশিন এনে কাজ চলছিল। মনে করা হচ্ছে, তাতে আবাসনের ক্ষতি হয়। তাতেই তিনতলা আবাসনটি ভেঙে পড়ে। জেলা কালেক্টর পীযূষ সামারিয়া জানিয়েছেন, ‘তালওয়ান্দি এলাকার এই ভবনের ভেতরে একটি রেস্তরাঁ চালু ছিল। ঘটনার সময় কিছু গ্রাহক ও ১২ থেকে ১৫ জন রেস্তরাঁর কর্মচারী ছিলেন।‘