মায়ের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ, দাদু-ঠাকুমার কাছে থাকতে হাইকোর্টে ১৫ বছরের কিশোর

File Photo

মায়ের বিরুদ্ধে মারধর, অপমান ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ। মায়ের সঙ্গে আর থাকতে চায় না ১৫ বছরের এক কিশোর। গুজরাতের মোরবিতে দাদু-ঠাকুমার কাছে থাকার অনুমতি চেয়ে গুজরাত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সে। এর পাশাপাশি, মায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশও চেয়েছে ওই নাবালক।

আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে কিশোর জানিয়েছে, ২০২০ সালে বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকে সে মায়ের সঙ্গে আহমেদাবাদের সারখেজে থাকত। অভিযোগ, মা তাকে দিয়ে জোর করে বাড়ির কাজ করাতেন। মারধর ও অপমান করতেন। এমনকী একবার ছুরি নিয়ে হামলার চেষ্টাও করেছিলেন।

গত তিন মাসে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছে সে। একা বাড়িতে থাকলে বিদ্যুতের সংযোগও বন্ধ করে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। কিশোরের আইনজীবী রফিক লোখান্ডওয়ালা আদালতে জানান, ছুরি নিয়ে হামলার অভিযোগের পর পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করে সাহায্য চেয়েছিল ওই নাবালক। সারখেজ থানায় লিখিত অভিযোগও জমা দেয়।


কিন্তু পুলিশ এফআইআর দায়ের করেনি বলে অভিযোগ। শিশু কল্যাণ কমিটির কাছেও আবেদন জানিয়েও কোনও কার্যকর সাহায্য মেলেনি বলে দাবি তার। শেষ পর্যন্ত মোরবিতে দাদু-ঠাকুমার কাছে চলে যায় কিশোর। ঠাকুমার মাধ্যমে হাইকোর্টে দু’টি আবেদন জমা দিয়েছে সে। তার নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে দাদু-ঠাকুমার কাছেই থাকার অনুমতি এবং মায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ চেয়েছে সে।

আরও পড়ুন: পেট্রোলে ২০ শতাংশের বেশি ইথানল মেশানোর অভিযোগ, মোদী সরকারকে নিশানা রাহুলের

বিচারপতি এম সি ত্যাগীর বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, শিশু কল্যাণ কমিটি এবং আহমেদাবাদ পুলিশের কাছে জবাব চেয়েছে। কিশোরের অভিযোগ পাওয়ার পর কী পদক্ষেপ করা হয়েছে এবং তার নিরাপত্তায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে জানাতে হবে। ওই দিন মামলার পরবর্তী শুনানি। মায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও প্রমাণিত নয়।