রাজস্থানের একটি কোচিং সেন্টারে গ্যাস লিক। জয়পুরের মহেশ নগরের এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে ১০ জন পড়ুয়া। একটি নালা থেকে সন্দেহজনক গ্যাস লিকের ঘটনায় অজ্ঞান হয়ে যায় ওই পড়ুয়ারা। তাদের চিকিৎসার জন্য দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্কের সৃষ্টি সৃষ্টি হয়। ছাত্ররা তীব্র মাথাব্যথা এবং শ্বাসকষ্ট অনুভব করে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ইনস্টিটিউটের কাছে একটি নালা থেকে গ্যাস লিকের সূত্রপাত ঘটে। ভবনের ছাদে অবস্থিত রান্নাঘর থেকে উদ্ভূত ধোঁয়াও এই কারণে হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
অসুস্থ ছাত্ররা চিকিৎসাধীন ওই বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক জানিয়েছেন যে, সাতজন ছাত্রকে শ্বাসরোধ এবং শ্বাসকষ্টের লক্ষণ সহকারে আনা হয়েছিল। বাকি ছাত্রদের অন্যান্য চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। ওই চিকিৎসক আরও বলেন, ‘আক্রান্ত পড়ুয়াদের কাশি ও শ্বাসকষ্টের খবর পাওয়া গেলেও বর্তমানে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল।’ কর্তৃপক্ষ খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণকে অস্বীকার করেছে। তবে গ্যাস লিকের সঠিক উৎস এখনও নির্ধারণ করা যায়নি। কার গাফিলতির কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর কোচিং সেন্টারের বাইরে বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেন ছাত্রছাত্রীদের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, হাসপাতালে ভর্তি সমস্ত শিক্ষার্থী সুস্থ হয়ে উঠেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনাটি কোচিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং এর অনিয়ন্ত্রিত পরিকাঠামোগত সমস্যা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।