বিরোধী বৈঠকের ১৮তেই এনডিএ’র মহাবৈঠক

দিল্লি, ৭ জুলাই– ১৮ জুলাই বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠক আগেই ডেকেছিল কংগ্রেস । আর সেইদিনটি বিজেপিও নিজেদের শরিক দলগুলিকে নিয়ে মহাবৈঠকের ডাক দিল। অর্থাৎ একই দিনে আলাদা-আলাদা করে বৈঠকে বসছে মোদি হটাও বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। 

এনডিএ জোটের ওই বৈঠক হবে দিল্লিতে। সেই বিষয় নিয়ে সেনাপতি অমিত শাহ বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেছেন । এনডিএ-র ওই মেগা সম্মেলন নিয়ে আলোচনা হয়েছে ওই মেগা বৈঠকে। আসলে দ্বিতীয়বার বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরার পর এনডিএ-তে অন্যান্য শরিকদের গুরুত্ব অনেকটাই কমেছিল। ২০২৪-এর আগে বিরোধী শিবির একত্রিত হওয়ার মরিয়া চেষ্টা করছে। তাতে সম্ভবত খানিকটা প্রমাদ গুণছে বিজেপিও। সেকারণেই জোটসঙ্গীদের ফের গুরুত্ব দিয়ে এনডিএ-তে ফেরানোর চেষ্টা করছেন মোদি-শাহরা।

তবে ২০১৯-এর আগের এনডিএ আর বর্তমান এনডিএই এখন চিন্তার বিষয় কেন্দ্রীয় বিজেপির কাছে। কারণ ইতিমধ্যে কৃষি আইনের বিরোধিতা করে শিরোমণি অকালি দল জোট ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছে। বিহারে নীতীশ কুমার ইতিমধ্যেই এনডিএ ছেড়ে বিরোধীদের হোতা হয়েছেন। এলজেপির চিরাগ পাসওয়ানও এনডিএ ছেড়েছেন। মনোমালিন্য চলছে তামিলনাড়ুর আইডিএমকে, এবং হরিয়ানার জেজেপির সঙ্গেও। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে শিব সেনা এনডিএ ছাড়লেও আবার একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্ব শিব সেনার একটা অংশ ফিরে এসেছে। নতুন করে যোগ দিয়েছে এনসিপির অজিত পওয়ার শিবির। শোনা যাচ্ছে, বিজেপি নিজেদের নতুন এবং পুরনো বহু জোটসঙ্গীকেই আমন্ত্রণ জানাবে ১৮ জুলাইয়ের বৈঠকে।


খাতায়-কলমে এনডিএ-তে ছোটবড় অনেক দলই আছে। তবে বড় দল সে অর্থে নেই। তাই বিজেপি চাইছে চন্দ্রবাবু নায়ডুর টিডিপি এবং শিরোমণি অকালি দলকে ১৮ তারিখের বৈঠকে হাজির করিয়ে চমক দিতে। শেষ পর্যন্ত এই দুটি দল যদি ১৮ জুলাইয়ের বৈঠকে যোগ দেয়, সেটা লোকসভার আগে বিজেপির জন্য বিরাট স্বস্তির খবর হতে চলেছে।