বিশকেকে অনুষ্ঠিত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলনে বড় তিন শক্তির বৈঠক থেকে কী ফল বেরিয়ে আসে, এখন সেদিকেই সবার নজর। এই তিন শক্তি হল চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। যুদ্ধের কারণে যেসব সংঘাত ও বাণিজ্যিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে, তা সামলাতে এবং পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করতে এই তিন নেতা কী সিদ্ধান্তে পৌঁছন, সেটাই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে সংঘাত এখনও চলতে থাকায়, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এসসিও একটি বিকল্প মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে। ইতিমধ্যেই মোদী-পুতিন বৈঠকে ভারত ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। সেখানে ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ‘অন্তহীন যুদ্ধ থেকে আমাদের যুদ্ধের অবসানের দিকে, শত্রুতার অবসানের দিকে এগোতে হবে।’ এর সঙ্গে আরও
বলা হয়েছে, ‘সমগ্র মানবতার জন্য এটি
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
গত বছর তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত এসসিও সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নরেন্দ্র মোদীকে বলেছিলেন, বেজিং ও নয়াদিল্লির উচিত প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হিসেবে কাজ করা। স্বাভাবিকভাবেই এই বক্তব্য অনেকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছিল। কারণ, এশিয়ার দুই বৃহৎ শক্তি ভারত ও চিনের মধ্যে উত্তেজনা কমলে বিশ্ব রাজনীতির শক্তির ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। এর ফলে নিজেদের নিজস্ব পরিসরে দুই দেশই আরও বেশি স্বাধীনভাবে কৌশল নির্ধারণ ও পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে।
ভারত ও চিনের বিতর্কিত সীমান্ত নিয়ে গত সপ্তাহেই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র মধ্যে আলোচনা হয়েছে। কোনও তাৎক্ষণিক সীমান্ত নির্ধারণের সিদ্ধান্ত না হলেও, দুই পক্ষই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ওই বৈঠকে ওয়াং ই আরও বলেছেন, ভারত-চিন সম্পর্ক এখন আর শুধুমাত্র দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বিষয় নয়; এর সঙ্গে বৈশ্বিক ও কৌশলগত গুরুত্বও জড়িয়ে রয়েছে। তাই দুই প্রতিবেশী দেশের আরও বেশি করে কথা বলা এবং মতপার্থক্য কমিয়ে আনা প্রয়োজন।
এই সব ঘটনাপ্রবাহ দেখে মনে হতে পারে, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সমস্যার সমাধানের কেন্দ্র ধীরে ধীরে জি-৭ বা রাষ্ট্রপুঞ্জের মতো প্রচলিত মঞ্চ থেকে আঞ্চলিক শক্তিগুলির জোটের দিকে সরে যাচ্ছে। বাস্তবে অবশ্য বিষয়টি এত সরল নয়।
এ কথা পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার যে, এসসিও কোনও ন্যাটো-র মতো সামরিক জোট নয়। আবার এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা আসিয়ান-এর মতো নিছক কোনও অর্থনৈতিক জোটও নয়। এর সদস্য দেশগুলি সমগ্র ইউরেশিয়া জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে এবং তাদের স্বার্থের মধ্যেও রয়েছে তীব্র বৈপরীত্য। ভারত-পাকিস্তান, ভারত-চিন এবং রাশিয়া-পশ্চিমী দেশগুলির মধ্যে বিরোধ তারই উদাহরণ। তার ওপর এসসিও-র সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো ঐকমত্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। ফলে উচ্চাভিলাষী কোনও যৌথ পদক্ষেপ নেওয়া এখানে অত্যন্ত কঠিন।
তবু এশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব শক্তিই এখানে উপস্থিত— চিন, ভারত ও রাশিয়া; পাশাপাশি পূর্বতন সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত চারটি মধ্য এশীয় দেশ, ইরান এবং পাকিস্তানও রয়েছে। সরবরাহ-শৃঙ্খল, জ্বালানির দাম এবং বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে এখানে নেওয়া সিদ্ধান্ত বা দেওয়া কোনও বার্তা বৃহত্তর বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে। ভারতের মতো একটি মধ্যম শক্তির জন্য এটি নিজের অবস্থান সামলে চলার, বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার এবং বিশ্বকে আবার স্বাভাবিক পরিস্থিতির দিকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি কৌশলগত পরিসর তৈরি করে।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা ইরান-সংঘাতকে ভারতের কাছে আর দূরের কোনও
ভূ-রাজনৈতিক সংকট হিসেবে রাখেনি। বরং তা সরাসরি ভারতের অর্থনীতি ও রাজনীতির জন্য ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি তথাকথিত ‘মক্কা চুক্তি’— সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি— যদিও আপাতদৃষ্টিতে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবু এর দিকেও নজর
রাখা দরকার।
পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক দফার লড়াই ইতিমধ্যেই সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক যাতায়াত ব্যাহত করেছে এবং তেলসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখার যে প্রচেষ্টা চলছে, বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার আশঙ্কার কারণে তাতেও ঝুঁকি পুরোপুরি সামলানো সম্ভব হচ্ছে না।
এই পরিস্থিতিই এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে মোদীর সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের বৈঠককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। দুই নেতা শুধু পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা করেননি, তাঁরা জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সমুদ্রপথে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিয়েও কথা বলেছেন। আর এই আলোচনা হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সঙ্গে যে কোনও ধরনের অর্থনৈতিক যোগাযোগের ব্যাপারে সতর্ক
করে দিয়েছে।
নয়াদিল্লি চায়, ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় থাকুক, হরমুজ প্রণালি খোলা থাকুক এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ থাকুক। কিন্তু একই সঙ্গে ইরান ও ওয়াশিংটনের কৌশলগত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার কোনও আগ্রহ ভারতের নেই। তবে ভারত অবশ্যই আশা করবে, শেষ পর্যন্ত ইরান ও আমেরিকা দু’পক্ষই আবার শান্তি আলোচনার টেবিলে ফিরে আসবে।
ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে সংঘাত এখনও চলতে থাকায়, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এসসিও একটি বিকল্প মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে। ইতিমধ্যেই মোদী-পুতিন বৈঠকে ভারত ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। সেখানে ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ‘অন্তহীন যুদ্ধ থেকে আমাদের যুদ্ধের অবসানের দিকে, শত্রুতার অবসানের দিকে এগোতে হবে।’ এর সঙ্গে আরও
বলা হয়েছে, ‘সমগ্র মানবতার জন্য এটি
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
গত বছর তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত এসসিও সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নরেন্দ্র মোদীকে বলেছিলেন, বেজিং ও নয়াদিল্লির উচিত প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হিসেবে কাজ করা। স্বাভাবিকভাবেই এই বক্তব্য অনেকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছিল। কারণ, এশিয়ার দুই বৃহৎ শক্তি ভারত ও চিনের মধ্যে উত্তেজনা কমলে বিশ্ব রাজনীতির শক্তির ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। এর ফলে নিজেদের নিজস্ব পরিসরে দুই দেশই আরও বেশি স্বাধীনভাবে কৌশল নির্ধারণ ও পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে।
ভারত ও চিনের বিতর্কিত সীমান্ত নিয়ে গত সপ্তাহেই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র মধ্যে আলোচনা হয়েছে। কোনও তাৎক্ষণিক সীমান্ত নির্ধারণের সিদ্ধান্ত না হলেও, দুই পক্ষই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ওই বৈঠকে ওয়াং ই আরও বলেছেন, ভারত-চিন সম্পর্ক এখন আর শুধুমাত্র দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বিষয় নয়; এর সঙ্গে বৈশ্বিক ও কৌশলগত গুরুত্বও জড়িয়ে রয়েছে। তাই দুই প্রতিবেশী দেশের আরও বেশি করে কথা বলা এবং মতপার্থক্য কমিয়ে আনা প্রয়োজন।
এই সব ঘটনাপ্রবাহ দেখে মনে হতে পারে, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সমস্যার সমাধানের কেন্দ্র ধীরে ধীরে জি-৭ বা রাষ্ট্রপুঞ্জের মতো প্রচলিত মঞ্চ থেকে আঞ্চলিক শক্তিগুলির জোটের দিকে সরে যাচ্ছে। বাস্তবে অবশ্য বিষয়টি এত সরল নয়।
এ কথা পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার যে, এসসিও কোনও ন্যাটো-র মতো সামরিক জোট নয়। আবার এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা আসিয়ান-এর মতো নিছক কোনও অর্থনৈতিক জোটও নয়। এর সদস্য দেশগুলি সমগ্র ইউরেশিয়া জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে এবং তাদের স্বার্থের মধ্যেও রয়েছে তীব্র বৈপরীত্য। ভারত-পাকিস্তান, ভারত-চিন এবং রাশিয়া-পশ্চিমী দেশগুলির মধ্যে বিরোধ তারই উদাহরণ। তার ওপর এসসিও-র সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো ঐকমত্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। ফলে উচ্চাভিলাষী কোনও যৌথ পদক্ষেপ নেওয়া এখানে অত্যন্ত কঠিন।
তবু এশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব শক্তিই এখানে উপস্থিত— চিন, ভারত ও রাশিয়া; পাশাপাশি পূর্বতন সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত চারটি মধ্য এশীয় দেশ, ইরান এবং পাকিস্তানও রয়েছে। সরবরাহ-শৃঙ্খল, জ্বালানির দাম এবং বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে এখানে নেওয়া সিদ্ধান্ত বা দেওয়া কোনও বার্তা বৃহত্তর বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে। ভারতের মতো একটি মধ্যম শক্তির জন্য এটি নিজের অবস্থান সামলে চলার, বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার এবং বিশ্বকে আবার স্বাভাবিক পরিস্থিতির দিকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি কৌশলগত পরিসর তৈরি করে।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা ইরান-সংঘাতকে ভারতের কাছে আর দূরের কোনও
ভূ-রাজনৈতিক সংকট হিসেবে রাখেনি। বরং তা সরাসরি ভারতের অর্থনীতি ও রাজনীতির জন্য ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি তথাকথিত ‘মক্কা চুক্তি’— সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি— যদিও আপাতদৃষ্টিতে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবু এর দিকেও নজর
রাখা দরকার।
পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক দফার লড়াই ইতিমধ্যেই সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক যাতায়াত ব্যাহত করেছে এবং তেলসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখার যে প্রচেষ্টা চলছে, বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার আশঙ্কার কারণে তাতেও ঝুঁকি পুরোপুরি সামলানো সম্ভব হচ্ছে না।
এই পরিস্থিতিই এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে মোদীর সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের বৈঠককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। দুই নেতা শুধু পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা করেননি, তাঁরা জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সমুদ্রপথে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিয়েও কথা বলেছেন। আর এই আলোচনা হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সঙ্গে যে কোনও ধরনের অর্থনৈতিক যোগাযোগের ব্যাপারে সতর্ক
করে দিয়েছে।
নয়াদিল্লি চায়, ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় থাকুক, হরমুজ প্রণালি খোলা থাকুক এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ থাকুক। কিন্তু একই সঙ্গে ইরান ও ওয়াশিংটনের কৌশলগত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার কোনও আগ্রহ ভারতের নেই। তবে ভারত অবশ্যই আশা করবে, শেষ পর্যন্ত ইরান ও আমেরিকা দু’পক্ষই আবার শান্তি আলোচনার টেবিলে ফিরে আসবে।
এসসিও-র সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা এখানেই— এটি কূটনৈতিক আলোচনার জন্য একটি কার্যকর মঞ্চ তৈরি করতে পারে এবং বিশ্বকে ধীরে ধীরে শান্তির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা নিতে পারে। ভারত এই মঞ্চে সংযম, আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মানের পক্ষে অবস্থান নিতে পারে। একই সঙ্গে তাকে কোনও প্রকাশ্য মার্কিন-বিরোধী অবস্থানের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতেও হবে না।