ভারত ও রাশিয়া নতুন ধরনের ছোট আকারের পারমাণবিক চুল্লি (এসএমআর) যৌথভাবে তৈরি করা এবং ভারতের অন্য কোনও স্থানে কুড়ানকুলমের ধাঁচে দ্বিতীয় একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারে। পাশাপাশি আলোচনায় আসতে পারে বিলম্বিত এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের পরিস্থিতি, অত্যাধুনিক এসইউ-৫৭ যুদ্ধবিমান যৌথভাবে উৎপাদনের সম্ভাবনা, রুপি-রুবল লেনদেনের সম্প্রসারণ এবং রাশিয়ায় জমে থাকা ভারতের রুপি ব্যবহার করে ভারতে বিনিয়োগের বিষয়।
শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা ইউএনআইকে জানিয়েছেন, ভারত আর্কটিক মহাসাগরের কাছাকাছি ইয়াকুতিয়া অঞ্চলে সম্ভাব্য খনির অধিকার পাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে। ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ইন্ডিয়ান রেয়ার আর্থস লিমিটেড (আইআরইএল) সেখানে খনিজ উত্তোলনের সুযোগ পেতে পারে। পাশাপাশি রেয়ার-আর্থ বা বিরল-মাটি উপাদান দিয়ে ম্যাগনেট তৈরির ক্ষেত্রেও দুই দেশ সহযোগিতা করতে পারে।
অন্যদিকে, ভারত থেকে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার ফলে রাশিয়ার কাছে জমা হওয়া রুপি-র একটি অংশ প্রতিরক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পরমাণু শক্তি ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগ করতে
চায় মস্কো।
রুশ কূটনীতিকরা ইউএনআইকে জানিয়েছেন, চেন্নাই-ভ্লাদিভস্তক সামুদ্রিক পথ গড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সাইবেরিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস বহনকারী জাহাজগুলির জন্য রাশিয়ার প্রায় আটটি বিমা সংস্থা বিমা ও ক্ষতিপূরণ-সংক্রান্ত সুরক্ষা দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার বৃহত্তম বিমা সংস্থা সোগাজ, পাশাপাশি স্বের ইন্স্যুরেন্স গ্রুপ এবং আলফাস্ট্রাখোবানিই।
শুক্রবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকটি দুই দেশ তাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে এখনও কতটা গুরুত্ব দেয়, তা স্পষ্ট করে। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাঠামোর ক্ষেত্রে রাশিয়া এখনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লিতে রাশিয়াকে ঐতিহাসিকভাবে একটি ‘নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবেই দেখা হয়। অন্যদিকে, মস্কোর কাছেও ভারতের গুরুত্ব শুধু রুশ তেলের অন্যতম বৃহৎ ক্রেতা হিসেবে নয়। ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতি এবং বৃহত্তর এশীয় বাজারে প্রবেশের একটি সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ দ্বার।
পরমাণু ক্ষেত্রে সহযোগিতার মূল ভিত্তি অবশ্যই কুড়ানকুলম। তবে দুই দেশ ভারতে আরও একটি বৃহৎ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ব্যাপারে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। সেখানে ছয়টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিভিইআর-১২০০ অথবা ভিভিইআর-টিওআই রিঅ্যাক্টর থাকবে। প্রতিটি রিঅ্যাক্টরের উৎপাদন ক্ষমতা হবে প্রায় ১,২০০ মেগাওয়াট। ফলে ছয়টি ইউনিট সম্পূর্ণ চালু
হলে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে
৭,২০০ মেগাওয়াট।
একজন কর্মকর্তা বলেন, এই প্রকল্পের প্রযুক্তিগত সমীক্ষার কাজ চলছে এবং মোদী-পুতিন বৈঠকের পর তা আরও গতি পেতে পারে। দুই দেশ ছোট আকারের পারমাণবিক চুল্লি (এসএমআর) এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট নিয়েও প্রাথমিক পর্যায়ের কিছু কাজ শুরু করেছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মস্কো ভারতকে তার কিছু অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পঞ্চম প্রজন্মের
এসইউ-৫৭ যুদ্ধবিমান যৌথভাবে উৎপাদনের সম্ভাবনা। কূটনীতিকদের মতে, এই ধরনের প্রস্তাবের উদ্দেশ্য শুধু দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে বজায় রাখা নয়; এর মাধ্যমে রাশিয়া এটিও দেখাতে চাইছে যে, পশ্চিমা চাপ সত্ত্বেও তার কৌশলগত গুরুত্ব এখনও শেষ হয়ে যায়নি।
ভারত এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহে বিলম্বের বিষয়টিও বৈঠকে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের মতে, ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে রাশিয়া
এস-৪০০-এর কিছু সরবরাহ অন্যদিকে সরিয়ে নিয়ে থাকতে পারে। তবে রুশ কূটনীতিকরা দিল্লিকে আশ্বস্ত করেছেন যে, ভারতের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
পরিবহন ও সরবরাহের ক্ষেত্রেও দুই দেশ নর্দার্ন সি রুট এবং চেন্নাই-ভ্লাদিভস্তক সামুদ্রিক করিডর—উভয়কে ঘিরে সহযোগিতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, যার মধ্যে লিথিয়াম ও রেয়ার-আর্থ উপাদান রয়েছে, সেগুলির অনুসন্ধান, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতার বিষয়েও ভারত ও রাশিয়ার অবস্থান মোটামুটি এক।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাশিয়া ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত খনিজ সংস্থা আইআরইএলকে ইয়াকুতিয়ার টমটর রেয়ার-আর্থ খনি অঞ্চলে প্রবেশাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। প্রাথমিক বিশ্লেষণের জন্য ইতিমধ্যেই দুই দেশ পরস্পরের মধ্যে খনিজের নমুনা বিনিময় করেছে।
খনন শুরু হলে ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা রেয়ার-আর্থ ম্যাগনেটের যৌথ উৎপাদন এবং রেয়ার-আর্থ উপাদান পুনর্ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিস্তৃত হতে পারে।
দুই দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল ও টুলকিট তৈরির ক্ষেত্রে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং আরও গভীর সহযোগিতার বিষয়টিও বিবেচনা করছে। রাশিয়ার স্বের-এর মতো সংস্থাগুলি এআই এবং সাইবার নিরাপত্তাকে ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের নতুন বিকাশের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে। তারা যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র এবং সার্বভৌম আইটি প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে আগ্রহী। এর মধ্যে ব্রিকস সাইবারসিকিউরিটি অ্যালিয়ান্সের মাধ্যমেও সহযোগিতার
সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারতীয় কূটনীতিকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ মোদী-পুতিন আলোচনায় অনিবার্যভাবেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং বৃহত্তর পারস্য উপসাগরীয় পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।
ভারতের কাছে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক উদ্বেগ। দীর্ঘ সময় ধরে এই জলপথে চলাচল ব্যাহত হলে ভারতের তেল সরবরাহ হুমকির মুখে পড়তে পারে, পণ্য পরিবহণের খরচ বাড়তে পারে, জ্বালানি-নির্ভর মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে এবং ভারতীয় রুপির ওপরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা ইউএনআইকে জানিয়েছেন, ভারত আর্কটিক মহাসাগরের কাছাকাছি ইয়াকুতিয়া অঞ্চলে সম্ভাব্য খনির অধিকার পাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে। ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ইন্ডিয়ান রেয়ার আর্থস লিমিটেড (আইআরইএল) সেখানে খনিজ উত্তোলনের সুযোগ পেতে পারে। পাশাপাশি রেয়ার-আর্থ বা বিরল-মাটি উপাদান দিয়ে ম্যাগনেট তৈরির ক্ষেত্রেও দুই দেশ সহযোগিতা করতে পারে।
অন্যদিকে, ভারত থেকে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার ফলে রাশিয়ার কাছে জমা হওয়া রুপি-র একটি অংশ প্রতিরক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পরমাণু শক্তি ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগ করতে
চায় মস্কো।
রুশ কূটনীতিকরা ইউএনআইকে জানিয়েছেন, চেন্নাই-ভ্লাদিভস্তক সামুদ্রিক পথ গড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সাইবেরিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস বহনকারী জাহাজগুলির জন্য রাশিয়ার প্রায় আটটি বিমা সংস্থা বিমা ও ক্ষতিপূরণ-সংক্রান্ত সুরক্ষা দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার বৃহত্তম বিমা সংস্থা সোগাজ, পাশাপাশি স্বের ইন্স্যুরেন্স গ্রুপ এবং আলফাস্ট্রাখোবানিই।
শুক্রবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকটি দুই দেশ তাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে এখনও কতটা গুরুত্ব দেয়, তা স্পষ্ট করে। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাঠামোর ক্ষেত্রে রাশিয়া এখনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লিতে রাশিয়াকে ঐতিহাসিকভাবে একটি ‘নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবেই দেখা হয়। অন্যদিকে, মস্কোর কাছেও ভারতের গুরুত্ব শুধু রুশ তেলের অন্যতম বৃহৎ ক্রেতা হিসেবে নয়। ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতি এবং বৃহত্তর এশীয় বাজারে প্রবেশের একটি সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ দ্বার।
পরমাণু ক্ষেত্রে সহযোগিতার মূল ভিত্তি অবশ্যই কুড়ানকুলম। তবে দুই দেশ ভারতে আরও একটি বৃহৎ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ব্যাপারে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। সেখানে ছয়টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিভিইআর-১২০০ অথবা ভিভিইআর-টিওআই রিঅ্যাক্টর থাকবে। প্রতিটি রিঅ্যাক্টরের উৎপাদন ক্ষমতা হবে প্রায় ১,২০০ মেগাওয়াট। ফলে ছয়টি ইউনিট সম্পূর্ণ চালু
হলে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে
৭,২০০ মেগাওয়াট।
একজন কর্মকর্তা বলেন, এই প্রকল্পের প্রযুক্তিগত সমীক্ষার কাজ চলছে এবং মোদী-পুতিন বৈঠকের পর তা আরও গতি পেতে পারে। দুই দেশ ছোট আকারের পারমাণবিক চুল্লি (এসএমআর) এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎ ইউনিট নিয়েও প্রাথমিক পর্যায়ের কিছু কাজ শুরু করেছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মস্কো ভারতকে তার কিছু অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পঞ্চম প্রজন্মের
এসইউ-৫৭ যুদ্ধবিমান যৌথভাবে উৎপাদনের সম্ভাবনা। কূটনীতিকদের মতে, এই ধরনের প্রস্তাবের উদ্দেশ্য শুধু দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে বজায় রাখা নয়; এর মাধ্যমে রাশিয়া এটিও দেখাতে চাইছে যে, পশ্চিমা চাপ সত্ত্বেও তার কৌশলগত গুরুত্ব এখনও শেষ হয়ে যায়নি।
ভারত এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহে বিলম্বের বিষয়টিও বৈঠকে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের মতে, ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে রাশিয়া
এস-৪০০-এর কিছু সরবরাহ অন্যদিকে সরিয়ে নিয়ে থাকতে পারে। তবে রুশ কূটনীতিকরা দিল্লিকে আশ্বস্ত করেছেন যে, ভারতের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
পরিবহন ও সরবরাহের ক্ষেত্রেও দুই দেশ নর্দার্ন সি রুট এবং চেন্নাই-ভ্লাদিভস্তক সামুদ্রিক করিডর—উভয়কে ঘিরে সহযোগিতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, যার মধ্যে লিথিয়াম ও রেয়ার-আর্থ উপাদান রয়েছে, সেগুলির অনুসন্ধান, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতার বিষয়েও ভারত ও রাশিয়ার অবস্থান মোটামুটি এক।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাশিয়া ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত খনিজ সংস্থা আইআরইএলকে ইয়াকুতিয়ার টমটর রেয়ার-আর্থ খনি অঞ্চলে প্রবেশাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। প্রাথমিক বিশ্লেষণের জন্য ইতিমধ্যেই দুই দেশ পরস্পরের মধ্যে খনিজের নমুনা বিনিময় করেছে।
খনন শুরু হলে ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা রেয়ার-আর্থ ম্যাগনেটের যৌথ উৎপাদন এবং রেয়ার-আর্থ উপাদান পুনর্ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিস্তৃত হতে পারে।
দুই দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল ও টুলকিট তৈরির ক্ষেত্রে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং আরও গভীর সহযোগিতার বিষয়টিও বিবেচনা করছে। রাশিয়ার স্বের-এর মতো সংস্থাগুলি এআই এবং সাইবার নিরাপত্তাকে ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের নতুন বিকাশের ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে। তারা যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র এবং সার্বভৌম আইটি প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে আগ্রহী। এর মধ্যে ব্রিকস সাইবারসিকিউরিটি অ্যালিয়ান্সের মাধ্যমেও সহযোগিতার
সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারতীয় কূটনীতিকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ মোদী-পুতিন আলোচনায় অনিবার্যভাবেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং বৃহত্তর পারস্য উপসাগরীয় পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।
ভারতের কাছে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক উদ্বেগ। দীর্ঘ সময় ধরে এই জলপথে চলাচল ব্যাহত হলে ভারতের তেল সরবরাহ হুমকির মুখে পড়তে পারে, পণ্য পরিবহণের খরচ বাড়তে পারে, জ্বালানি-নির্ভর মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে এবং ভারতীয় রুপির ওপরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
রাশিয়া নিজেই বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি উৎপাদক হলেও বিশ্ব জ্বালানি বাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা এবং হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলকে হামলা বা কোনও ধরনের চাপ থেকে মুক্ত রাখা তারও গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ।