তবে তৃণমূল নেতৃত্ব একেবারেই এই অভিযোগ মানতে নারাজ। অবজার্ভার চন্দন ভৌমিক বলেন, ‘সঞ্জয় কুজুরকে সমস্ত তথ্য যাচাই করেই প্রার্থী করা হয়েছে। এখন যে সব প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’ শনিবার সকালেই বিশাল সমর্থক বাহিনী নিয়ে সঞ্জয় মালবাজার মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে মনোনয়ন জমা দেন। দপ্তরের ভিতরে কিছু সময় পর থেকেই নানা গুঞ্জন ছড়াতে শুরু করলেও সন্ধ্যায় তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, ‘সব ঠিক আছে, কোনও বাধা নেই।’
সঞ্জয়ের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, তিনি দত্তক সন্তান হিসেবে বড় হয়েছেন। এই বিষয়টিকে সামনে এনে বিরোধীরা তাঁর তফসিলি উপজাতি পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তবে সঞ্জয় স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘সংবিধানে দত্তক সন্তানদের অধিকার সুরক্ষিত। তাই ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।’
যদিও বিষয়টি নিয়ে বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেওয়া হলেও তৃণমূলের মতে, এই সবই ভোটের আগে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা। দলীয় মহলে আলোচনা চলছে, প্রয়োজনে বিকল্প প্রার্থী রাখার পরিকল্পনাও তৈরি রাখা হচ্ছে। এদিকে নাগরাকাটায় তৃণমূলের একাধিক শক্তিশালী নেতা থাকায় সংগঠন যথেষ্ট মজবুত। ফলে এই বিতর্কের প্রভাব খুব একটা পড়বে না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।