সিতারা দেবীর স্মরণে ধ্রুপদী নৃত্যসন্ধ্যা

সিতারা দেবীর স্মরণে ধ্রুপদী নৃত্যসন্ধ্যা

কিংবদন্তি কত্থক নৃত্যশিল্পী সিতারা দেবীকে প্রতিবারের মতো এবারও শ্রদ্ধাজানালো কালিন্দি দর্পণ সোশিও কালচারাল অর্গানাইজেশান সূচনায় পাইকপাড়ায় মোহিত মৈত্র মঞ্চে সন্মাননা জানানো হল বিশিষ্ট ন্রৃত্যশিল্পী জয়ন্তী মুখার্জিকে।
তাঁর অতীতের নানা গৌরবময় অংশ নিয়ে তৈরি করা তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হল। সন্মানিত হয়ে জয়ন্তী জানালেন, আমন্ত্রিত হয়ে এখানে যে আসতে পেরেছেন তা কেবল নৃত্যগুরু তথা ঈশ্বরের কৃপায়।
আবেগে গাইলেন, ‘গুরু মোর পূজা’। মনোরম সুরশ্রী ভট্টাচার্য ও তার সহচরীদের ‘মন কী মীরার’ নৃত্যশৈলী ছিল প্রশংসনীয়। পদ্মবিভূষণ পন্ডিত বিরজু মহারাজের পুত্র দীপক মহারাজ ও পৌত্রী রাগিনী মহারাজের দ্বৈত উপস্থাপনায় ছিল উঠান্ম ঠাত, পড়ন, বন্দীশ, কত্থক নৃত্যের বোল ইত্যাদি।
তেহাই-এ দীপক এককে দেখালেন হাতির চলন, পাতা পড়ার ছন্দ। বিরজু মহারাজের সৃষ্টি করা বিশেষ পড়ন মাখন চুরি, আলিঙ্গনের গৎ (তিন তাল), সব মিলিয়ে মোহময়ী আবহ।
প্রেক্ষাগৃহে পূর্ণ সন্ধ্যার শেষ আকর্ষণ ছিল ‘কৃষ্ণপ্রিয়া’, বেনারস ঘরানার সিতারা দেবীর নাতির সঙ্গে লক্ষনৌ ঘরানার বিরজু মহারাজের নাতনির যুগল নৃত্য। এমন একটি অনুষ্ঠানের অনুপ্রেরণা স্বয়ং বিরজু মহারাজের পাঠানো আশীর্বাণী।