আজ বৃহস্পতিবার একধাক্কায় অনেকটা কমেছে সোনার দাম। আর তা স্বস্তি দিয়েছে আমজনতাকে। সেই সঙ্গে স্বস্তি পেয়েছে নতুন বিনিয়োগকারীরাও। আজ বিশ্ববাজারে কমে গিয়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। যা অনেকটাই কমিয়ে এনেছে মুদ্রাস্ফীতিকে। যদিও গতকাল ফের নতুন করে ইরানে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। যা অর্থনৈতিক অস্থিরতাকে বাড়িয়ে তুললেও আপাত ভাবে কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে ভারত।
তবে সামগ্রিক পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে ভারত। এই মুহূর্তে মার্কিন ডলার ১০০.৫০ তে লেনদেন করছে। আর ভারতের বাজারে আপাত ভাবে মুদ্রাস্ফীতি কমার কারণেই কমেছে সোনার দাম। আজ ২৪ ক্যারেট ১০০ গ্রাম সোনার দাম কমে গিয়েছে ২৮০০ টাকা। এই মুহূর্তে ১০ গ্রাম সোনার দাম রয়েছে ১,৪৩,৫০০ টাকা।
আজ ২৪ ক্যারেট সোনার দামের পতন হয়েছে ২৮০০ টাকা। ফলে আজকে দাম রয়েছে ১৪,৩২,৯০০ টাকা। ১০ গ্রাম সোনার দাম ২৮০ টাকা কমেছে। আজ নতুন দাম রয়েছে ১,৪৩,২৯০ টাকা। ৮ গ্রামের দাম ২২৪ টাকা কমেছে। নতুন দাম রয়েছে ১১৪৬৩২ টাকা। অন্যদিকে ২২ ক্যারেট সোনার দামে পতন হয়েছে ২৫০০ টাকা। নতুন দাম রয়েছে ১৩,১৩,৫০০ প্রতি ১০০ গ্রামে। অন্যদিকে ১০ গ্রাম সোনার দাম কমেছে ২৫০ টাকা। ফলে নতুন দাম রয়েছে ১,৩১,৩৫০ টাকা।
১৮ ক্যারেট সোনার দাম রয়েছে ১০,৭৪,৭০০ টাকা। যা গতকালের তুলনায় ২০০০ টাকা কম। ১০ গ্রামের দাম ২০০ টাকা কমে নেমে এসেছে ১,০৭,৪৭০ টাকাতে। গুডরিটার্নসের তথ্য অনুসারে আজ ১ কেজি রুপোর দাম রয়েছে ২৩৫০০০ টাকা। আশা করা হচ্ছে আগামীতে হয়তো আরও একটু কমতে পারে সোনা-রুপোর দাম।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণত আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময় সোনাকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হলেও, যখন সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়, তখন বিনিয়োগকারীদের একাংশ সোনা থেকে অর্থ তুলে ডলার বা সুদ-ভিত্তিক সম্পদে বিনিয়োগ করেন। এর ফলেই স্বল্পমেয়াদে সোনার দামে চাপ তৈরি হয়। একইসঙ্গে শিল্পক্ষেত্রে ব্যাপক ব্যবহার হওয়ায় রুপোর দামও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে ওঠানামা করে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, আগামী কয়েকদিন আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, মার্কিন অর্থনৈতিক তথ্য এবং ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত ইঙ্গিতের উপর নজর থাকবে বিনিয়োগকারীদের। সেই সব বিষয়ের উপর নির্ভর করেই সোনা ও রুপোর দামের পরবর্তী গতিপথ নির্ধারিত হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মূল্যবান ধাতুর বাজারে অস্থিরতা আরও কিছুদিন বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।