সন্তানের শিক্ষার খরচ, অবসরের প্রস্তুতি কিংবা পরিবারের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করেন অনেকে। কিন্তু হঠাৎ কোনও গুরুতর অসুস্থতা বা দুর্ঘটনার কারণে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেলে নিয়মিত বিমার কিস্তি দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে বিমার সুরক্ষা যাতে বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করতে নতুন ‘ওয়েভার অফ প্রিমিয়াম’ ব্যবস্থা চালু করল এসবিআই লাইফ ইনস্যুরেন্স। জীবনের অনিশ্চয়তার মধ্যেও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা যাতে ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্য নিয়ে গুরুতর অসুস্থতা, স্থায়ী অক্ষমতা বা অন্যান্য নির্দিষ্ট প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিমাগ্রাহকদের আর্থিক দায়বদ্ধতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে এই ব্যবস্থা।
এই পরিকল্পনার আওতায় নির্দিষ্ট শর্তে ভবিষ্যতের সমস্ত প্রিমিয়াম, অতিরিক্ত প্রিমিয়াম-সহ, মকুব করা হবে। ফলে গ্রাহক কিস্তি দিতে অক্ষম হলেও মূল বিমা পলিসি এবং তার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য রাইডার নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী কার্যকর থাকবে। এর ফলে পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যগুলি বজায় রাখতে সুবিধা হবে।
এসবিআই লাইফের প্রেসিডেন্ট ও চিফ ডিস্ট্রিবিউশন অফিসার এম আনন্দ বলেন, দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে শুধু ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দেওয়াই যথেষ্ট নয়, অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতেও সেই পরিকল্পনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকা জরুরি। নতুন রাইডারটি সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, নির্বাচিত কিছু লিঙ্কড ও নন-লিঙ্কড জীবনবিমা প্রকল্পের সঙ্গে এই ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। পলিসির প্রস্তাবকারী ও বিমাকৃত ব্যক্তি একই হলে দুর্ঘটনাজনিত সম্পূর্ণ স্থায়ী অক্ষমতা এবং ২১টি নির্দিষ্ট গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে সুরক্ষা মিলবে। দু’জন আলাদা হলে প্রস্তাবকারীর মৃত্যু, সম্পূর্ণ স্থায়ী অক্ষমতা এবং ওই ২১টি গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী সুবিধা পাওয়া যাবে।
পলিসি শুরু করার সময় অথবা পরবর্তী পলিসি বর্ষপূর্তিতে এই রাইডার নেওয়া যাবে। তবে যোগ্যতার শর্ত পূরণ এবং অন্তত পাঁচ বছরের প্রিমিয়াম দেওয়ার মেয়াদ থাকা আবশ্যক।